বাগানের নির্বাসনের পরিপ্রেক্ষিতে শহরে মোমবাতি মিছিল

Update: January 4, 2013 20:26 IST

শহরে ফের মোমবাতি মিছিল। এবারের মোমবাতি মিছিলের কারণটা অবশ্য অন্য। শহরের প্রিয় ক্লাব মোহনাবাগানের নির্বাসনের `নেপথ্যে নায়কদের` বিরুদ্ধে জ্বলল মোমবাতি। সেই মিছিল থেকে মোহনবাগানের কর্তাদের সরানোর দাবি উঠল। শনিবার উত্তর কলকাতায় হল অভিনব এই মিছিল। শহরে বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু, ধর্ষণ থেকে শুরু করে নানা সামাজিক বিষয়ে এর প্রতিবাদে মোমবাতি মিছিল হয়েছে। কিন্তু কোনও খেলার ইস্যুতে এ ধরনের মিছিল অনেকটাই অভিনব। শুধু কলকাতায় কেন গোটা ভারতেও এই মোমবাতি জ্বালিয়ে খেলার কোনও ইস্যুতে প্রতিবাদ হয়েছে কি না তা জানতে বিস্তর কাঠখড় পোড়াতে হচ্ছে।

তিন বছরের জন্য নির্বাসিত আই লিগ। প্রিয় ক্লাবকে দেশের সেরা টুর্নামেন্টে দেখতে না পারার জন্য সভ্য-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ অব্যাহত শুক্রবার গোষ্ঠ পালের মূর্তির পাদদেশ থেকে মোহনবাগান তাঁবু পর্যন্ত মৌন মিছিল করলেন সমর্থকরা। ফেডারেশনের কাছে তাদের আবেদন মোহনবাগানের শাস্তির বিষয়টি যেন পুনর্বিবেচনা করা হয়। তবে সমর্থকদের দাবি অবিলম্বে যেন সরে যান ক্লাবের দুই শীর্ষ কর্তা অঞ্জন মিত্র আর দেবাশিস দত্ত।
 
পরে মোমবাতি মিছিল করেন ক্ষুব্ধ সমর্থকরা। মোহনবাগানের নির্বাসনের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার উত্তর কলকাতায় একটি মিছিল করবেন সমর্থকরা।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।