নিগৃহীতাকে দুষে লিউকের পাশেই সিদ্ধার্থ মালিয়ার টুইট

Update: May 18, 2012 18:15 IST

অবশেষে লিউক পমেরবাখের ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে টুইট করলেন রয়াল চ্যালেঞ্জার্সের ডিরেক্টর সিদ্ধার্থ মালিয়া। টুইটে তিনি লেখেন "যিনি অভিযোগ করেছেন যে তাঁর হবু বরকে লিউক মারধর করেছে তিনি ******* **** (অশালীন শব্দ)। গতরাতে ওই মহিলা আমার সঙ্গেও অতিরিক্ত অন্তরঙ্গ হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। আমার বিবিএম (ব্ল্যাকবেরি মেসেঞ্জার) পিন জানতে চান। তিনি তো মোটেই `হবু বউ`-এর মতো আচরণ করছিলেন না।" যদিও পরে আরেকটি টুইটে তিনি লেখেন "লিউক যদি অপরাধ করে থাকেন তবে তার শাস্তি পাবেন। তবে মহিলা যা করছেন তা অসংলগ্ন।"

গতরাতেই এক মার্কিন মহিলার শ্লীলতাহানি অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে রয়াল চ্যালেঞ্জার্সের লিউক পমেরবাখকে গ্রেফতার করে চানক্যপুরী থানার পুলিস। তাঁর বিরুদ্ধে ৩৫৪, ৩২৩, ৪৫৪, ৫১১ ধারায় মামলা রুজু করা হয়। পরে অবশ্য অন্তর্বর্তী জামিন পেয়ে যান এই বিদেশী ক্রিকেটার। শুক্রবার তাঁকে জামিন দেয় দিল্লির পাতিয়ালা হাউস আদালত। শনিবার পর্যন্ত জামিন পেয়েছেন তিনি। ঘটনার পর বেশ কয়েকঘণ্টা কেটে গেলেও পুলিস ওই পার্টির সিসিটিভি ফুটেজ জোগার করতে না-পারায় ভর্ত্‍সনা করে আদালত।

বৃহস্পতিবার রাতে আইপিএল-এর এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দিল্লি ডেয়ার ডেভিল্‌সকে হারায় রয়াল চ্যালেঞ্জার্স। ম্যাচ পরবর্তী পার্টিতেই এই ঘটনাটি ঘটে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।