জোট ছাড়াও ইতিমধ্যেই প্ল্যান বিও ছকে ফেলেছেন রাজ্য সিপিএমের শীর্ষনেতারা জোট ছাড়াও ইতিমধ্যেই প্ল্যান বিও ছকে ফেলেছেন রাজ্য সিপিএমের শীর্ষনেতারা

দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন। দিল্লিতে জোরদার জোট তত্পরতা। বামসঙ্গ চেয়ে দরবার প্রদেশ নেতৃত্বের। বল এখন সোনিয়া গান্ধীর কোর্টে। তবে শুধুই কংগ্রেস নয় রাজ্যের বাম শিবিরের নজরও এখন দশ জনপথেই। তবে শুধুই জোটের ওপর ভরসা করে দুহাজার ষোলোর শক্তিপরীক্ষায় নামতে নারাজ  বামেরা। প্ল্যান এ বাম-কংগ্রেস জোট হলেও ইতিমধ্যেই প্ল্যান বিও ছকে ফেলেছেন রাজ্য সিপিএমের শীর্ষনেতারা।  কীরকম সেই প্ল্যান বি? অ্যাকশন প্ল্যানের নিরিখে বাছাই করা কেন্দ্রগুলিকে ভাগ করা হয়েছে তিনটি পর্যায়ে। কলকাতা বিধানসভার এগারোটি কেন্দ্রকে ভাগ করা হয়েছে সন্ত্রাস এবং  সাংগঠনিক শক্তির ভিত্তিতে। তৃতীয় পর্যায়ে রাখা হয়েছে এমন কেন্দ্রগুলিকে যেখানে সন্ত্রাসের আশঙ্কার পাশাপাশিই দুর্বল বামেদের সাংগঠনিক শক্তিও। এবং সেই নিরিখেই ইতিমধ্যেই ঠিক হয়ে গেছে কে কে হবেন সেনাপতি। কে কে হচ্ছেন ভোট যুদ্ধে সেনাপতি।চলুন একনজরে দেখে নেওয়া যাক:

দিল্লি, নয়ডা সহ মোট পাঁচটি শপিং মলে হামলা চালাতে পারে আইএস জঙ্গিরা! দিল্লি, নয়ডা সহ মোট পাঁচটি শপিং মলে হামলা চালাতে পারে আইএস জঙ্গিরা!

প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে আইসিস জঙ্গি হানার আশঙ্কা আগেই প্রকাশ করেছিলেন দেশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। এবার সামনে আসছে আশঙ্কা। দিল্লি, নয়ডা সহ মোট পাঁচটি  শপিং মলে হামলা চালাতে পারে আইএস জঙ্গিরা।  এমনটাই আঁচ করছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।  গতকালই চার  জঙ্গিকে  গ্রেফতারের কথা ঘোষণা করে দিল্লি পুলিসের স্পোশাল সেল। ধৃতরা সকলেই  ইরাক ও সিরিয়ায় আইসিস হ্যান্ডলারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতো বলেই দাবি পুলিসের।  অন্যদিকে আইসিসের নিশানায়  হরিদ্বারের অর্ধকুম্ভও। বিভিন্ন সূত্র থেকে এমনই ইঙ্গিত পেয়েছেন গোয়েন্দারা। খবর সামনে আসার পরেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয় গোটা তীর্থস্থানি।  গঙ্গার ঘাটে মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী। স্নিফার ডগ নিয়ে চলছে তল্লাসিও।

সিএনজি দুর্নীতি নিয়ে কথা বলার সময় দেননি, তাই ভরা সভায় কালির ছিটে সিএনজি দুর্নীতি নিয়ে কথা বলার সময় দেননি, তাই ভরা সভায় কালির ছিটে

দিল্লি সরকারের সিএনজি দুর্নীতি নিয়ে আদালতে যাবতীয় কাগজপত্র জমা দেবেন তিনি। জমা দেবেন স্টিং অপারেশনের ছবিও। গতরাতে ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেয়ে বেরিয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন ভাবনা অরোরা। গতকাল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গায়ে কালি ছিটিয়ে শিরোনামে উঠে আসেন দিল্লির এই তরুণী। আজ তাকে আদালতে পেশ করা হবে। ভাবনার দাবি, সিএনজি দুর্নীতি নিয়ে কথা বলার জন্য বারবার মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও পরিবহণমন্ত্রী গোপাল রাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দুজনের কেউই তাঁকে সময় দেননি। বাধ্য হয়েই তাই ভরা সভায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর গায়ে কালি ছেটান তিনি। 

 অরবিন্দকে কালি ছুঁড়লেন কোন ভাবনায়! অরবিন্দকে কালি ছুঁড়লেন কোন ভাবনায়!

রবিবার থেকে হঠাত্‍ই গোটা ভারতের মানুষ নাম শুনে ফেলেছেন তাঁর। ভাবনা অরোরা। দিল্লিতে জোড়-বিজোড় গাড়ির নাম্বার প্লেট রাস্তায় নামানোর পর নাকি দূষণ কমেছে শহরের। সেটাই সেলিব্রেট করছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ছত্রশাল স্টেডিয়ামে। সেখানে হঠাত্‍ই ভাবনা অরোরা এসে তাঁর মুখে কালি ছুড়ে দেয়! তারপর থেকেই মানুষের প্রশ্ন আসে মনে। কে এই ভাবনা অরোরা? এই ভাবনা অরোরার বয়স ২৬ বছর। তিনি এখনও অবিবাহিত। দিল্লিরই রোহিনীতে রামবিহারে নিজের পরিবারের সঙ্গে থাকেন তিনি। আম আদমি পার্টি সেনার পাঞ্জাবের ইনচার্জ তিনি, এমনটাই দাবি করেছেন ভাবনা। আগে তাঁরা আম আদমি পার্টির সঙ্গেই ছিলেন। কিন্তু এরপর আর তাঁরা কেজরিওয়ালের সঙ্গে থাকেননি। গড়েছেন আম আদমি পার্টি সেনা।

রামজন্মভূমি সেমিনার ঘিরে উত্তাল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস রামজন্মভূমি সেমিনার ঘিরে উত্তাল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

রামজন্মভূমি সেমিনার ঘিরে বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। আজ সেমিনার শুরু দিনই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন এনএসইউআই। অরুন্ধতী বশিষ্ঠ অনুসন্ধান পীঠের আয়োজিত ওই সেমিনারের প্রধান বক্তা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী।  অশোক সিংঘাল প্রতিষ্ঠিত ওই সংগঠনের সেমিনার ঘিরে গত কদিন থেকেই উত্তপ্ত রাজধানীর শিক্ষামহল। শিক্ষাক্ষেত্রে গৈরিকিকরণের অভিযোগে শুক্রবারও বিক্ষোভ দেখায় আএসা, এসএফআই সহ বেশ কয়েকটি ছাত্র সংগঠন। বিক্ষোভে যোগ দেয় আম আদমি পার্টির ছাত্র-যুব সংঘর্ষ মঞ্চও।

একটা ফোনের পরই ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাল সতর্কতা একটা ফোনের পরই ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাল সতর্কতা

দিল্লি বিমানবন্দরের কন্ট্রোল রুমের কল সেন্টারে একটা ফোন। তারপরই ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাল সতর্কতা। রাজধানীতেও বাড়ানো হল নিরাপত্তা। রেল ও মেট্রো স্টেশনে বাড়তি নিরাপত্তা। গুরগাঁওয়ে, ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কনট্রোল রুমের কল সেন্টারে একটি ফোন আসে। তাতে বলা হয়: দিল্লিতে নাশকতা চালিয়ে জার্মানি উড়ে যাওয়ার ছক কষেছেন এক ব্যক্তি। এই মর্মে একটি ইমেলও যায় কলসেন্টারে। ফোন পাওয়ার পরই শুরু হয় অনুসন্ধান। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ফোনটি এসেছিল দেশের বাইরে থেকে। তবে ঠিক কোথা থেকে, সেবিষয়ে স্পষ্ট জানা যায়নি। সম্প্রতি পাঠানকোট কাণ্ডের জেরে ওই ফোন কলটিকে উড়ো ফোন বলে হাল্কা ভাবে নিতে রাজি ছিলেন না বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অফিসাররা। বিমানবন্দরের ডিসিপি নিজেই স্বীকার করেছেন, ফোন কলটি উড়ো নয়। এরপরই বিমানবন্দরে জারি হয় লাল সতর্কতা। শুরু হয় তল্লাসি।

আজ থেকেই দিল্লিতে শুরু জোড়-বিজোড় গাড়ির ফর্মূলা আজ থেকেই দিল্লিতে শুরু জোড়-বিজোড় গাড়ির ফর্মূলা

অপেক্ষা শেষ। আজ নববর্ষের দিন থেকেই দিল্লিতে চালু হল, জোড়-বিজোড় গাড়ির নতুন ফর্মূলা। দিল্লির দূষণ ঠেকাতে এই পথই এখন বড় ভরসা কেজরিওয়াল অ্যান্ড কোম্পানির কাছে। সরকার আশাবাদী, কমবে দূষণের মাত্রা। তবে কতটা তৈরি দিল্লিবাসী? এ প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এই পরিকল্পনার ফাঁকফোকড় নিয়েও উঠেছে বিস্তর অভিযোগ। নিয়ম অনুযায়ী, যে সব গাড়ির নম্বর শেষ হচ্ছে এক, তিন, পাঁচ, সাতের মতো বিজোড় নম্বরে, তা দিল্লিতে পথে নামতে পারবে শুধু বিজোড় সংখ্যার দিনে। ঠিক তেমনই, জোড় সংখ্যায় শেষ হচ্ছে যে সমস্ত গাড়ির নম্বর, তা পথে চলতে পারবে জোড় সংখ্যার দিনে। আপাতত পনেরই জানুয়ারি পর্যন্ত ট্রায়াল বেসিসে চলবে এই জোড়-বিজোড় স্কিম। সোম থেকে শনি, সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত থাকবে বিধিনিষেধ। নিয়ম ভাঙলেই, দিতে হবে জরিমানা।

শাস্তির পরেও সুর নরম নয় কীর্তির শাস্তির পরেও সুর নরম নয় কীর্তির

শাস্তির পরেও সুর নরম নয় কীর্তির। আজই সাসপেনশন নোটিসের জবাবি চিঠি দেবেন দলকে। সকালে জন্মদিনে বাজপেয়ীর সঙ্গে সাক্ষাতের পরেই ফের মার্গদর্শক মণ্ডলীর দ্বারস্থ সাসপেন্ডেড সাংসদ। কীর্তি আজাদের সাসপেনশনে ক্ষুব্ধ প্রবীণ বিজেপি নেতারা। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী, মুরলী মনোহর যোশী, শান্তাকুমার, যশবন্ত সিন্হারা। এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিচ্ছেন বিজেপির লৌহ পুরুষ। কীর্তির সাসপেনশনে দেশবাসীর কাছে ভুল বার্তা যাবে। নিয়ম মেনে তিন বারের সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়নি বলেই মনে করছেন বিজেপির মার্গদশর্ক মণ্ডলী। দলের ফোরামেও বিষয়টি তোলা হবে বলে বিজেপি সূত্রে খবর।

সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার এক সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার এক

SMS-এ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার এক। আজ সন্ধেয় ঢাকুরিয়ার শরত্‍ ঘোষ গার্ডেন রোড এলাকা থেকে পেশায় ওয়েব ডিজাইনার দীপাঞ্জন মিত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। বাবা অশোক মিত্রের সূত্রে সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ দীপাঞ্জনের। অবসর সময়ে  ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফিও করে সে। ২০১৩-য় সাংসদের সঙ্গে দেখা করে চাকরি চেয়েছিলেন দীপাঞ্জন। পর্যটন দফতরে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, চাকরি হয়নি। সেই হতাশা থেকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুনের হুমকি দেয় বলে পুলিসি জেরায় দাবি করে দীপাঞ্জন। তার বিরুদ্ধে হুমকি ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। দীপাঞ্জনের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে মোবাইল।  নিজের নামে থাকা সিম থেকেই সাংসদকে হুমকি দেয় দীপাঞ্জন।