সরকার-কমিশন সংঘাত অব্যাহত

পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সরকার-কমিশন সংঘাত অব্যাহত। জেলাবিন্যাস এবং ১০ জুলাই ভোটের দিন পরিবর্তনের দাবিতে আজ সরকারকে চিঠি পাঠাল কমিশন। রাজ্য সরকার চাইছে, ৯-৪-৪ জেলাবিন্যাসে ভোট করাতে। কিন্তু কমিশনের প্রস্তাব পঞ্চায়েত ভোট হোক ৬-৫-৬, এই জেলাবিন্যাসে।

পঞ্চায়েত ভোটে সব আসনে প্রার্থী দিতে অপারগ কংগ্রেস

পঞ্চায়েতে সব আসনে প্রার্থী দিতে পারবে কংগ্রেস? এর উত্তর খুঁজতেই আজ সব জেলার সভাপতিদের নিয়ে বৈঠক করলেন প্রদেশ নেতৃত্ব। আলোচনায় উঠে এসেছে বেশ কয়েকটি সাংগঠনিক দুর্বলতার কথা। জেলা সভাপতিদের আশঙ্কা, সন্ত্রাসের জেরে সব আসনে প্রার্থী দেওয়া সম্ভব হবে না। সন্ত্রাস বন্ধে কমিশনের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে কংগ্রেস।

ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে সংঘাতে রাজ্য-কমিশন

পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ফের সংঘাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার। কমিশনের দেওয়া দিন মেনে আজ রাজ্য সরকার ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও জেলা বিন্যাস নিয়ে দু'পক্ষের জটিলতা রয়েই গেছে। সর্বদলীয় বৈঠকে ওঠা বিভিন্ন  প্রস্তাবগুলি বিবেচনার পর চলতি সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি জারি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু কমিশন এখনই তা মানতে নারাজ।

ভোটে অশান্তি হলে দায়িত্ব নিতে নারাজ কমিশন

পঞ্চায়েত ভোটে অশান্তি হলে তার দায়ভার কমিশন নাও নিতে পারে। আজ রাজ্য নির্বাচন কমিশন এমনই ইঙ্গিত দিয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তারা করছে। ভোট শান্তিপুর্ণ করার সবরকম চেষ্টাও কমিশন করবে।
কিন্তু ভোটের সময় অশান্তি হলে তার দায়িত্ব কে নেবে? নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট যুক্তি, সে ক্ষেত্রে তারা দায়িত্ব নেবে কিনা তা ভেবে দেখা হবে।

আজ মনোনয়ন জমা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

অসম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ফের নির্বাচিত হওয়ার লক্ষ্যে মনোনয়ন জমা দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। ১৯৯১ সালে রাজনীতিতে পা রাখার পর থেকে এই রাজ্য থেকেই প্রতিনিধিত্ব করছেন সিং।

হাওড়ায় প্রার্থী দিচ্ছে না বিজেপি

হাওড়ার উপনির্বাচনে প্রার্থী দিচ্ছে না বিজেপি। এর আগে সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল সিনহা বিজেপি প্রার্থী হিসেবে অসীম ঘোষের নাম ঘোষণা করেন। সেই অনুযায়ী শুরু হয়ে যায় দেওয়াল লিখন। প্রচারেও নেমেছিলেন অসীম ঘোষ। কিন্তু গতকাল রাতে হঠাত্ বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে হাওড়া উপনির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের জট কাটলেও আদালতের পথ বন্ধ করছে না কমিশন

পঞ্চায়েত জটিলতা কাটাতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে রাজ্য সরকার। সেইসঙ্গেই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল দুই শিবিরেই।

রাজ্যের ৫০% বুথই স্পর্শকাতর

রাজ্যে  ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বুথই স্পর্শকাতর। জেলা শাসক ও পুলিস সুপারদের পাঠানো রিপোর্টে এমন তথ্যই উঠে এসেছে কমিশনের হাতে। সোমবার ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের কাছে স্পর্শকাতর বুথ কতগুলি তা জানতে চায়। পাশপাশি কমিশনকে নির্দেশ দেয় তালিকা তৈরির। এরপরেই জরুরি ভিত্তিতে প্রত্যেক জেলার কাছে স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ও জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জানতে চাওয়া হয় কমিশনের তরফে। সন্ধের মধ্যেই অধিকাংশ জেলা তাদের রিপোর্ট পাঠিয়ে দেয় কমিশনের দফতরে। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বুথেই স্পর্শকাতর বলে জানা যায়। রাজ্যে এই মুহুর্তে বুথের সংখ্যা প্রায় আটান্ন হাজার। আজ এই সমস্ত তথ্যই আদালতে তুলে দেবে কমিশন।

ঠিক সময়ে পঞ্চায়েত ভোট করার নির্দেশ

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই পঞ্চায়েত নির্বাচন করার নির্দেশ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের। প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, "এটা সাংবিধানিক ভাবে জটিল মামলা। ঠিক সময়ে নর্বাচন করতে হবে।" আজকের মতো শুনানি শেষ। আগামিকাল ১০.৩০টায় পরবর্তি শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত।