নির্বাসনের ফাঁড়া কাটিয়ে চনমনে মোহনবাগান

আই লিগের বন্ধ দরজাটা হঠাত্‍ করেই খুলে গেছে মোহনবাগানের সামনে। সেই সুযোগ পুরোমাত্রায় কাজে লাগাতে মরিয়া মোহনবাগান কোচ। কয়েকদিনের ব্যবধানে আই লিগের ম্যাচ খেলতে নামতে হবে টোলগেদের। তাই নিজের প্রথম একাদশ কার্যত তৈরি করে ফেলেছেন মোহনবাগান কোচ। ওডাফা নেই। তাই আক্রমণভাগে সম্ভবত শুরু করবেন টোলগে আর স্ট্যানলি জুটি।

ভর্ত্‍‍সনা, শাস্তির মুখে পড়েও পদত্যাগে নারাজ কর্তারা

মোহনবাগানের ঐতিহ্যের কথা ভেবেই সাসপেনশন রদ করা হয়েছে, জানিয়েছেন ফেডারেশনের সভাপতি প্রফুল্ল প্যাটেল৷ কর্মসমিতির বৈঠক শেষে প্রফুল্ল প্যাটেল জানান, "মোহনবাগানের ঐতিহ্য ও ক্লাব সমর্থকদের আবেগের কথা মাথার রেখেই নির্বাসন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ তবে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে আর শাস্তি পুনর্বিবেচনা করা হবে না৷ এই প্রথম এবং এটাই শেষ সুযোগ দেওয়া হল মোহনবাগানকে৷" সেই সঙ্গে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, পরবর্তী সময়ে মোহনবাগান তো বটেই অন্য কোনও দলের ক্ষেত্রে নরম মনোভাব দেখাবে না ফেডারেশন।

বাগানে শাস্তি-স্বস্তির পাঁচালি

মোহনবাগানের শাস্তি নিয়ে এই কটা দিন উত্তাল থাকল ময়দান। কখনও ক্ষোভ, কখনও মিছিল, কখনও বিবৃতি -পাল্টা বিবৃতি মিলিয়ে যা চলল তাকে অনায়াসে নাটক বলা যায়। সেই নাটকের বিভিন্ন অঙ্ক নিয়েই সাজানো এই প্রতিবেদন---

যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতেই শিবির দুর্গাপুরে, স্বীকার করিমের

নির্বাসনের অসহ্য যন্ত্রণা থেকে ফুটবলারদের মুক্তি দিতেই যে মাঝ মরসুমে দুর্গাপুরে আবিসিক শিবির,তা অবশেষে স্বীকার করলেন মোহনবাগান কোচ করিম বেঞ্চিরিফা। কলকাতায় সমর্থকদের বিক্ষোভ,মিডিয়ার জিজ্ঞাসা-তাতে নবি-ওডাফারা পড়ে যাচ্ছিলেন চাপের মুখে। তার উপর নির্বাসনে দলের ফুটবলারদের মানসিকতা তলানিতে চলে আসায়,কোচ করিম চান এই আবাসিক শিবিরে দলকে একসূত্রে বাঁধতে।

নির্বাসনের `রেফারি ভিলেন` তত্ত্বও ধোপে টিকছে না

বিতর্কিত ডার্বি ম্যাচের  পর মোহনবাগান কর্তারা কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন সেই ম্যাচের রেফারি বিষ্ণু চৌহানকে। মোহনবাগান কর্তাদের দাবি ছিল বিষ্ণু চৌহান ওডাফাকে লালকার্ড দেখানোর পর থেকেই যাবতীয় ঝামেলার সূত্রপাত। কিন্তু তথ্য বলছে,এবারের আই লিগে ম্যাচ পরিচালনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছেন ডার্বি ম্যাচের রেফারি বিষ্ণু চৌহানই।

কর্মহীন দেড়শো শ্রমিক

কর্মহীন হলেন আসানসোলের এস বি পিগমেন্টের প্রায় দেড়শোজন শ্রমিক। আজ সকালে ধাদকায় কারখানার গেটে সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিস ঝুলিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। সকালে কাজে যোগ দিতে এসে নোটিসটি দেখতে পান শ্রমিকরা।