রোবটদের রাঁধতে শেখাচ্ছে ইউটিউব

রোবটদের রাঁধতে শেখাচ্ছে ইউটিউব

ইউটিউব ভিডিও কি শুধু মানুষরাই দেখে? যদি এটাই আপনার ধারণা হয়ে থাকে তাহলে সময় এসেছে সেই ভাবনা বদলের। না-মানুষরাও কিন্তু এখন মন দিয়ে ইউটিউব দেখছে। শুধু দেখছেই না ইউটিউব ভিডিও দেখে রোবটরা রীতিমত রাঁধতে শিখছে।

ক্যাঙারুর দেশে কুকরা আর রামধনুর দেশে ধোনিরা যেন `যমজ ভাই`

দুটো আলাদা দেশ। ক্রিকেটের আলাদা দুটো ফরম্যাটে এরা সেরা। ওয়ানডে ক্রিকেটে বিশ্বসেরা ভারত। আর বেশ কয়েক বছর টেস্টে ধারাবাহিকতার বিচারে সেরা ইংল্যান্ড। কিন্তু দুটো দেশই ক্রিকেট বিশ্বে কেমন যেন মিলে গেল। একেবারে সেরার তকমা নিয়ে খেলতে নেমে ধুলোয় মিশে গেল সম্মান। দক্ষিণ আফ্রিকায় ওয়ানডে সিরিজ মহেন্দ্র সিং ধোনির দলের যা হাল, ঠিক একই হাল অ্যাসেজ সিরিজে ইংল্যান্ডের।

ফাইনালের ইংলিশ পরীক্ষায় ধোনিরা ফ্রন্টফুটে

রবিবার নিজের মুকুটে আরও একটা পালক যোগ করার সুযোগ মহেন্দ্র সিং ধোনির। ২০০৭ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ের পর বিশ্ব ক্রিকেটের আরও একটা বড় খেতাব জয়ের সামনে ধোনি। রবিবার এজবাস্টনে ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হবে ভারত।

এবারেও আইপিএলে নেই আফ্রিদিরা

এবারের আইপিএলেও ব্রাত্যই থেকে গেলেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। আগামী রবিবার এপ্রিল-মে মাসের আইপিএলের ষষ্ঠ সংস্করণের নিলাম হবে। এই নিলামের জন্য ১০১ জনের খেলোয়াড়ের যে তালিকা আইপিএল কমিটি প্রকাশ করেছে তার মধ্যে ঠাঁই মেলেনি একজনও পাক ক্রিকেটারের।

ক্যাপ্টেনের দেশে পতনের পথে আরও একধাপ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের

ক্যাপ্টেনের ঘরের মাঠে কামাল করল টিম ইন্ডিয়া। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ব্রিটিশদের সাত উইকেটে হারিয়ে দিল ধোনিবাহিনী। সৌজন্যে বহুদিনপর `টিম ইন্ডিয়া`। আরও খোলসা করে বললে ভারতীয়দের দল হিসাবে অলরাউন্ড পারফর্ম্যান্স। জাদেজাদের অসাধারণ স্পেলের কাছে প্রথম থেকেই নড়বড়ে ছিলেন ইংরেজরা। ৪২.২ ওভারে মাত্র ১৫৫ রানে গুটিয়ে যায় কুকদের ইনিংস। ফলে ভারত ২-১ এগিয়ে গেল সিরিজে। ভারতীয়দের বোলারদের মধ্যে সফলতম জাদেজা। তাঁর ঝুলিতে ৩টি উইকেট। ক্যাপ্টেন কুকের উইকেটটি ব্যক্তিগত ১৭ রানের মাথায় তুলে ইংরেজদের দূর্গে প্রাথমিক ফাটলটা ধরান বাংলার সামি আহমেদ। তারপর কার্যত তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ে পিটারসনদের ইনিংস। ইংরেজদের তরফে সর্বোচ্চ স্কোর জো রুটের। তাঁর সংগ্রহ ৩৯।

ঘরের মাঠে ইংরেজদের একচুলও জায়গা ছাড়লেন না ধোনি

আজ তৃতীয় একদিনের ম্যাচে মহেন্দ্র সিংহ ধোনির ঘরের মাঠে মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত-ইংল্যান্ড। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলা হয়ে গেছে আট বছর। খেলে ফেলেছেন ২১৬টি একিদনের ম্যাচ। কিন্তু এই প্রথম ঘরের মাঠ রাঁচিতে খেলতে নামবেন ধোনি। শুক্রবার অবশ্য চোট পেয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল ধোনির খেলা নিয়ে। পরে ভারত অধিনায়ক জানিয়ে দেন তিনি ২০০ শতাংশ ফিট। ধোনিমুখর রাঁচি অনেক প্রত্যাশায় রয়েছে, রাত পোহালেই একটাই ডাক জেএসসিএ স্টেডিয়াম চল। ইতিমধ্যে হাউসফুল ৩৫ হাজার আসন। কতটা আবেগ জড়িয়ে রয়েছে আগামিকালের ম্যাচ নিয়ে যত বেশি বলা যায় হয়ত তত কম হবে।

ভারতের সামনে কঠিন টার্গেট খাড়া করল কুকবাহিনী

আজ ভারত-ইংল্যান্ড একদিনের সিরিজের প্রথম ম্যাচেই ভারতের জন্য বিশাল রানের টার্গেট খাড়া করল  ইংল্যান্ড। নির্ধারিত ৫০ ওভারে কুক বাহিনী মাত্র ৪ উইকেট খুইয়ে ৩২৫ রান করল। ওপেনিং জুটিতে ক্যাপ্টেন কুক আর বেল ইংল্যান্ডের ইনিংসের ভিত তৈরি করে দিয়ে যান। রাজকোটের সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েসনের স্টেডিয়ামে পাটা উইকেটে গোড়া থেকেই বড় রানের ইঙ্গিত ছিল। সেই ইঙ্গিত চিনতে ভুল করেননি কুকরা।

মেজাজ হারালেন ধোনি, কুকরা আনন্দে কাঁদলেন

২৮ বছর পর ভারতীয় ক্রিকেটে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য দখলের পর ভারতীয় অধিনায়ক বেশ বিরক্ত-হতাশগ্রস্থ। নাগপুরে সিরিজ হারের পর সাংবাদিক সম্মেলনে ক্যাপ্টেন কুল মেজাজ হারালেন। ঠান্ডা মাথার অধিনায়কের এখন মাথা বেশ গরম। অধিনায়ক ধোনি সিরিজ হারের সব দায় ব্যাটিং ও পেস বোলিং ব্যার্থতার উপর চাপিয়ে দিলেন। মহেন্দ্র সিং ধোনি সাংবাদিক বৈঠকে জানান, তাঁর দল ব্যাটিং ও ফাস্ট বোলিং-এ সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে, একমাত্র স্পিন বোলিং ছাড়া। অন্যদিকে জেমস অ্যান্ডারসন প্রত্যাশামত সব টেস্টে ভাল বল করে গেছেন।

সাম্রাজ্য স্থাপনের দোরগোড়ায় কুকবাহিনী

ট্রটের ব্যাটের স্রোতে ভেসে গেল ভারতের সিরিজে সমতা ফেরাবার সব স্বপ্ন। নাগপুরের ২২গজও সম্ভবত দেশের

জয়ের সাক্ষী থাকা থেকে বঞ্চিতই রয়ে গেল। ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজের শেষ টেস্টের পঞ্চম দিনের প্রাক্কালেই পরিষ্কার

হয়ে গেল এই ম্যাচের ভাগ্য। কারণ? অবশ্যম্ভাবী ড্রয়ের পরিণতি থেকে দলকে বাঁচাতে ব্যর্থ ধোনির বোলিং স্কোয়াড

সিরিজে সমতার স্বপ্ন বিসর্জনের পথে

শেষ পর্যন্ত বোধহয় `ট্রট`-এ এসে ডুবে গেল ভারতের সিরিজে সমতা ফেরাবার তরী। কুক, কেপি, কমপটনকে দ্রুত প্যাভিলিয়নবাসী করেও ম্যাচ জেতার লড়াই থেকে

কয়েক যোজন দূরে ছিটকে গেলেন ধোনিবাহিনী। দলের প্রাথমিক বিপর্যয়কে সামলে নিয়ে জমাটি পার্টনারশিপ গড়ে তুলছেন ট্রট আর বেল। ইতিমধ্যে চতুর্থ উইকেটে দু`জনে

কার্যকরি ৬৭ রান যোগ করে ফেলেছেন। চতুর্থ দিনের শেষে ইংল্যান্ড ১৬৫ রানে এগিয়ে রয়েছে। ক্রিজে ব্যক্তিগত ৬৬ রানে অপরাজিত ট্রট। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিচ্ছেন

বেল (২৪)। হাতে ৭ উইকেট আর একটা গোটা দিন নিয়ে কাল মাঠে নামবেন ব্রিটিশরা। একটা ড্র। তাহলেই কেল্লাফতে। কালকের দিনটা কাটিয়ে দিতে পারলেই ভারতের

মাটিতে দীর্ঘ ২৮ বছর পর সিরিজ জয়ের গৌরব লাভ করবেন কুকরা। তাই বিন্দুমাত্র তাড়াহুড়ো না করে নাগপুরের ২২গজ আঁকড়ে থাকাই এখন তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।

নির্মম ব্রিটিশ আগ্রাসনের সাক্ষী ইডেনের ২২গজ

পরাজয়ের চিত্রনাট্য তো কালকেই লেখা হয়ে গিয়েছিল। তবু কোন অলৌকিকের সন্ধানে সপ্তাহন্তের শনিবাসরীয় ইডেনে ভিড় জমিয়ে ছিল কলকাতা। জয় না হয় নাই হল, একটা সম্মানজনক ড্রয়ের আশায়। আগের ইনিংসে সচিনের ফর্ম ফিরে পাওয়ার ঝলক যদি আর একবার দেখা মেলে, যদি ক্লিক করে যায় বীরু-গোতি জুটি, নিদেনপক্ষে যদি দেখা মেলে চেতেশ্বর পূজারার কোন ধ্রুপদী ইনিংসের। কিন্তু কিচ্ছু হল না। চা বিরতির পরেই ইডেনের ২২ গজে যখন অশ্বিন আর ইশান্ত শর্মা, স্কোরবোর্ড ইঙ্গিত দিচ্ছে ৮ উইকেট পতনের। রান মেরেকেটে ১৬১।

বিজয়ার সুর ধোনির ড্রেসিংরুমে

গঙ্গায় ভাসতে চলেছে ধোনির `সিরিজ বদলার` প্রতিশ্রুতি! শুরুটা ভাল হলেও লাঞ্চের পর সবার কেমন যেন প্যাভিলিয়নে ফেরার তাড়াহুড়ো পরে গেল। লাঞ্চের পর প্রথম বলেই সেওয়াগ আউট হন। সয়ানের বলে ব্যাটের ভিতরের কিনারা ছুঁয়ে যেতেই অফ স্টাম্প উইকেটটা নড়ে ওঠে। এক রানের জন্য অর্ধশতরান অধরা থেকে গেল। পুজারার ব্যাটিং অর্ঘ্য প্রথম ইনিংসে ছিল ১৬। দ্বিতীয় ইনিংসে তা আরও কমে দাঁড়াল। মাত্র ৮ রানে তাঁকে ফিরতে হয় প্যাভিলিয়নে। `আসা-যাওয়া` নিয়ম মেনেই গৌতম গম্ভীর ফিরে যান ৪০ রানে। তবে প্রথম ইনিংসে একমাত্র যিনি একটু হলেও ঝলসে উঠেছিলেন, সেই মাস্টার ব্লাস্টার পুরোপুরি বাঁধ ভেঙে দিলেন নিজের উইকেট খুইয়ে। মাত্র ৫ রানে সয়ানের বলে আউট হন। তারপর যুবরাজ ১১ আর অধিনায়ক ধোনি শূণ্য রানে আউট হয়ে নাটকের শেষ পর্দাটা ফেলে দেন।

সম্মান বাঁচানোর লড়াই জারি গৌতম-বীরুর

অবশেষে থামল অশ্বমেধের ঘোড়া। চতুর্থ দিনের শুরুতে ইংরেজবাহিনী ৫২৩ রানের সব উইকেট খুইয়ে প্রথম ইনিংস শেষ করল। গতকালের ক্লান্ত ভারতীয় বোলাররা আজ হঠাত্ই যেন ঝলসে ওঠে। তৃতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৬ উইকেটে ৫০৯ রান। আজ শুরুতে মাত্র পাঁচ ওভারের মধ্যে ৪টি উইকেট তুলে নেয় ভারতীয় বোলাররা। এত তাড়াতাড়ি উইকেট পড়েযাওয়ায় অধিনায়ক ধোনি বোলারদেরকে প্রশংসা করার থেকে হারার অশনিসংকেতই দেখতে পাচ্ছেন বেশি। ধোনির হাতে বেশি সময় মানে, টিকে থাকার অস্তিত্ব কঠিন। জেতার প্রশ্ন তো দূরে থাক, কুকদের চাপিয়ে দেওয়া ২০৭ রান শোধ করে কতক্ষানি রান সংগ্রহ করতে পারে সেটাই এখন দেখার।

অথৈই জলে ধোনিবাহিনী!

নাহ! ইডেনেও জিতে ফেরা হল না ধোনিবাহিনীর। বদলার সিরিজের স্বপ্ন তো ওয়াংখেড়ের টেস্টের পরেই আরব সাগরে ভেসে গিয়েছিল। দেশের মাটিতে দাপটের সঙ্গে সিরিজ জেতার স্বপ্নটারও আজ গঙ্গার জলে ভেসে গেল। কলকাতা টেস্টের তৃতীয় দিনেও ব্রিটিশদের আধিপত্য বহাল থাকল। দিনের শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর ৬ উইকেটে ৫০৯। সপ্তম উইকেটে ইতিমধ্যেই সয়ান আর ম্যাট প্রায়র জুটি ৫০ রানের মজবুত পার্টনারশিপ তৈরি করে ফেলেছেন। তাঁদের হাভভাব দেখে মনেই হচ্ছে না তাঁরা দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফিরে যেতে ইচ্ছুক। অশ্বিন, ওঝারা প্রচুর হাত টাত ঘুরিয়েও ইংল্যান্ড ইনিংসে দাঁড়ি টানতে ব্যর্থ। যদিও আজ লাঞ্চের পর ভারতীয় বোলাররা তুলনামূলক কিছুটা ইতিবাচক বোলিং করলেন। ওঝার ঝুলিতে ৩টে উইকেট। অশ্বিনের শিকার এক। কুক এন্ড কোম্পানি এখনই ১৯০ রানে এগিয়ে।

মোতেরা, ওয়াংখেড়ের পর ইডেনও সাক্ষী থাকল কুকের শতরানের

আবার কামাল করলেন ক্যাপ্টেন কুক। মোতেরা, ওয়াংখেড়ের পর ইডেনও সাক্ষী থাকল তাঁর শতরানের। অধিনায়ক হিসাবে পরপর তিন টেস্টে সেঞ্চুরি করার বিরল কৃতিত্ব লাভ করলেন তিনি। তাঁর অসাধারণ ধারাবাহিক ফর্মের কাছে বড় অসহায় লাগছে ভারতীয় বোলিং বাহিনীকে। মুম্বই জয় করে আসার পর ইডেনেও কুক বাহিনীর ব্যাটিং বিক্রম অব্যাহত। যে পিচ ঘিরে এত বিতর্ক সেখানে এখনও পর্যন্ত ধারহীন লেগেছে জাহির, ইশান্তকে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ইংল্যান্ডের স্কোর এক উইকেটে ১৯৪। অধিনায়ক কুক ১৩০ রানে অপরাজিত হয়ে ২২গজে রাজত্ব করছেন। তাঁর সঙ্গে আছেন জনাথন ট্রট ৫ রানে। অশ্বিনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেছেন আর এক ওপেনার নিক কমটন। অবশ্য তার আগে ব্রিটিশ স্কোরবোর্ডে যোগ করে গেছেন অতি প্রয়োজনীয় ৫৭ রান। এর সঙ্গেই টেস্টে নিজের প্রথম অর্ধশতরানটি সেরে রাখলেন কমটন। অবশ্য কমটনের উইকেটটি তুলে নিলেও অশ্বিন বা ওঝা কেউই তেমন উল্লেখযোগ্য বোলিং করছেন না।

কুক বিক্রমে দিশাহারা ধোনিবাহিনী

অ্যালেস্টার কুকের বৃহস্পতি এখন সত্যিই তুঙ্গে। ভারতের মাটিতে তাঁর শতরানের সিলসিলাতো তিন টেস্ট ধরেই অব্যাহত। আপাতত ইডেনের ২২ গজে ভারতীয় বোলারদের নির্বিষ বোলিং নিয়ে রীতিমত ছেলেখেলা করছেন। তার সঙ্গে কুকের কিন্তু টিম ইন্ডিয়ার ফিল্ডিংয়ের কাছেও কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। দু`-দুবার তাঁর ক্যাচ ফেলার দুঃসাহস দেখালেন ভারতীয় ফিল্ডাররা! এই রকম একটা ম্যাচে যেখানে হাতে সাকুল্যে ৩১৬টি রান পুঁজি, সেখানে ব্রিটিশ অধিনায়কের প্রতি ভারতীয়দের `বদান্যতার` কোন কিনারা খুঁজে পাওয়া অসম্ভব। কাল থেকে অবিশ্রান্ত হাত ঘুরিয়েও ভারতীয় শিবিরের প্রাপ্তি মাত্র একটি উইকেট। আজ টেস্টের তৃতীয় দিনে লাঞ্চ পর্যন্ত দুই পেসার আর দুই স্পিনারের প্রচুর কসরত সত্ত্বেও ধোনি এন্ড কোম্পানির প্রাপ্তির ভাঁড়ার সেই শূন্যই। লাঞ্চ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের স্কোর এক উইকেট হারিয়ে ২৯৬। মাঠে ১৬৭ রানে অপরাজিত ক্যাপ্টেন কুক। তাঁর সঙ্গেই ৬৬ রানে ব্যাট করছেন ট্রট।