পুরাকালে ভারতে নাকি উড়ত বিমান! ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসে এক বক্তার মন্তব্যে বিতর্কের ঝড় পুরাকালে ভারতে নাকি উড়ত বিমান! ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসে এক বক্তার মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়

পুরাকালে ভারতে নাকি উড়ে বেড়াত বিমান! না, কোনও ধর্মীয়সভা নয়, রবিবার, ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসের মঞ্চে দাঁড়িয়ে এমন অদ্ভুত দাবি করে বসলেন এক বক্তা। ক্যাপ্টেন আনন্দ বোড়াস দাবি করেছেন ''বৈদিকযুগে ভারতে বিমানের আবিষ্কার করেছিলেন এক ঋষি। এই বিমানগুলি সহজেই এক গ্রহ থেকে আর এক গ্রহে ঘুরে বেড়াত। মাঝ আকাশে ইচ্ছা মত দাঁড়িয়েও যেতে পারত। দিক পরিবর্তনেও স্বক্ষম ছিল।'' বোড়াস দাবি করেছেন তাঁর কাছে নাকি এ বিষয়ে প্রচুর অফিসিয়াল ও আনঅফিসিয়াল প্রমাণও আছে। যদিও তাঁর বক্তব্যের স্বপক্ষে একটি প্রমাণও তিনি দেখাতে পারেননি।

শুক্রের মেঘের উপরে ভাসমান শহর তৈরির পরিকল্পনা নাসার শুক্রের মেঘের উপরে ভাসমান শহর তৈরির পরিকল্পনা নাসার

পৃথিবীর নিকটতম প্রতিবেশী গ্রহ শুক্র। কেমিক্যাল কম্পোজিশন ও আরে বহরে এই গ্রহ পৃথিবীর কাছাকাছি হলেও, শুক্র বায়ুমণ্ডল ও সারফেস কন্ডিশন পৃথিবীর থেকে একেবারেই আলাদা। এর আগে শুক্র পৃষ্ঠে যে প্রোবগুলো পাঠিয়েছিল পৃথিবী তাদের একটাও শুক্রের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে ২ ঘণ্টাও টিকে থাকতে পারেনি। ধ্বংস হয়ে গেছে। শুক্রর বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পৃথিবীর তুলোনায় ৯২গুণ বেশি। গড় উষ্ণতা ৪৬২ ডিগ্রি। গ্রহটার এখানে ওখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এক গাদা জীবন্ত আগ্নেয়গিরি। মধ্যাকথা, শুক্রের বুকে পাকাপাকি বাসা বাধাতো দূরের কথা অদূর ভবিষ্যতে সে গ্রহে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনাও মোটামুটি কল্পবিজ্ঞানের পাতাতেই আবদ্ধ।