মহারাষ্ট্রে বিরোধী আসনে শিবসেনা, সমঝোতার সম্ভাবনাও ছাড়ছে না উদ্ধব ঠাকরের দল

মহারাষ্ট্রে বিরোধী আসনে শিবসেনা, সমঝোতার সম্ভাবনাও ছাড়ছে না উদ্ধব ঠাকরের দল

মহারাষ্ট্রে বিরোধী আসনেই বসতে চলেছে শিবসেনা। গতকাল এই মর্মে বিধানসভার সচিবকে চিঠিও পাঠিয়ে দিয়েছে তারা। তবে, মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাওয়া নিয়ে এখনও হাল ছাড়ছে না তারা।

কড়া নিরাপত্তায় আগামিকাল ওয়াংখেড়েতে শপথ দেবেন্দ্র ফড়নবীশের কড়া নিরাপত্তায় আগামিকাল ওয়াংখেড়েতে শপথ দেবেন্দ্র ফড়নবীশের

৩১ অক্টোবর ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে কড়া নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে ওয়াংখেড়েকে। আমন্ত্রণপত্র অথবা পাস ছাড়া কারুর প্রবেশাধিকার থাকবে না স্টেডিয়ামে।একত্রিশে অক্টোবর এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের স্বাক্ষী থাকতে চলেছেন মহারাষ্ট্রের মানুষ।

চায়ের নরম ধোঁয়া কি পারবে ভাঙা ঘর ফের বাঁধতে? চায়ের নরম ধোঁয়া কি পারবে ভাঙা ঘর ফের বাঁধতে?

মোদীর চা চক্রেই কি ঘুচবে বিবাদ? মহারাষ্ট্রে কি ফের হাত ধরাধরি করে চলবে বিজেপি ও শিবসেনা? রাজনৈতিক মহলে জল্পনা এখন তুঙ্গে। আজই এনডিএ শরিকদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও, সেই বৈঠকে যাচ্ছেন না শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে। তবে, দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন অনন্ত গীতে।

এখনই বিজেপি সরকারকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নয়: শিবসেনা এখনই বিজেপি সরকারকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নয়: শিবসেনা

বিজেপির সঙ্গে ফের জোট গড়া নিয়ে শিবসেনার সিদ্ধান্ত আপাতত ঝুলেই রইল। আজ মুম্বইয়ে দলীয় দফতরে নবনির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন সেনাপ্রধান উদ্ধব ঠাকরে। বৈঠকে জোট গড়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে  পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব উদ্ধব ঠাকরের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন শিবসেনা বিধায়করা। এদিকে আজ সকালে  নীতীন গড়করির বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ।

পুরনো বন্ধু উদ্ধব নাকি নয়া দোস্ত শরদ? মহারাষ্ট্রে কার হাত ধরবে বিজেপি? চলছে জল্পনা পুরনো বন্ধু উদ্ধব নাকি নয়া দোস্ত শরদ? মহারাষ্ট্রে কার হাত ধরবে বিজেপি? চলছে জল্পনা

পুরনো বন্ধু শিবসেনা নাকি নতুন বন্ধু এনসিপি? মহারাষ্ট্রে সরকার গড়তে কার হাত ধরবে বিজেপি? এ পর্যন্ত পাওয়া খবর, মহারাষ্ট্রের বিজেপি নেতারা চাইছেন শরদ পওয়ারের দলকে। যদিও, দিল্লির নেতাদের পছন্দ শিবসেনা। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌছতে মহারাষ্ট্রের নেতাদের সঙ্গে কথাবার্তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব রাজনাথ সিংকে দিয়েছে বিজেপি।

মোদীকে ফোন উদ্ধবের, বিজেপিকে সমর্থনের পথে শিবসেনা মোদীকে ফোন উদ্ধবের, বিজেপিকে সমর্থনের পথে শিবসেনা

২৮৮ আসনের মহারাষ্ট্র বিধানসভায় ম্যাজিক সংখ্যা থেকে বিজেপি মাত্র ২৩টি আসন দূরে। এমন অবস্থায় সবচেয়ে বিপদে পড়েছে শিবসেনাই।

কার দখলে মহারাষ্ট্র আর হরিয়াণা? রাত পোহালেই মিলবে উত্তর কার দখলে মহারাষ্ট্র আর হরিয়াণা? রাত পোহালেই মিলবে উত্তর

মহারাষ্ট্র আর হরিয়ানা এবার কার দখলে যাবে? উত্তর খুঁজতে দুই রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ইভিএম খোলা হবে আগামিকাল। বেশিরভাগ বুথ ফেরত সমীক্ষাই এগিয়ে রেখেছে বিজেপিকে। দুটি রাজ্যেই গেরুয়া ঝড় অটুট থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে প্রায় সবকটি বুথ ফেরত সমীক্ষা।মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানা, দুই রাজ্যেই বুধবার ছিল ভোটগ্রহণ। নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটাই ছিল বিজেপির সামনে প্রথম পুরো দস্তুর নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ। রবিবার ফলাফল ঘোষণার আগে বিভিন্ন বুথ ফেরত্‍ সমীক্ষা তাই নিঃসন্দেহে স্বস্তি দিয়েছে বিজেপিকে। প্রায় সবকটি সমীক্ষাতেই দুই রাজ্যে এগিয়ে বিজেপি।

মহারাষ্ট্র, হরিয়াণাতেও সম্ভবত মোদী ঝড়ের প্রভাব, বলছে বুথ ফেরত সমীক্ষা মহারাষ্ট্র, হরিয়াণাতেও সম্ভবত মোদী ঝড়ের প্রভাব, বলছে বুথ ফেরত সমীক্ষা

দুই রাজ্যের বিধানসভা ভোটেও সম্ভবত  অটুট থাকছে  গেরুয়া ঝড়। মহারাষ্ট্রে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। বিভিন্ন বুথফেরত সমীক্ষা অন্তত এমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

'পুরানো বন্ধু'র প্রতি বাজে শব্দ খরচ না করে মহারাষ্ট্রে জোর প্রচার মোদীর 'পুরানো বন্ধু'র প্রতি বাজে শব্দ খরচ না করে মহারাষ্ট্রে জোর প্রচার মোদীর

পঁচিশ বছরের শরিকের সঙ্গে বনিবনা হয়নি। তাই ভোটের মুখে ভেঙে গিয়েছে জোট। কিন্তু, তার জন্য ছেড়ে যাওয়ায় জোটসঙ্গীকে কোনওভাবেই নিশানা করতে রাজি নয় বিজেপি।

ভোট 'পুজো'-র আগে মহারাষ্ট্রে তুমুল রাজনৈতিক হুড়োহুড়ি ভোট 'পুজো'-র আগে মহারাষ্ট্রে তুমুল রাজনৈতিক হুড়োহুড়ি

মহারাষ্ট্রে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে এখন তুমুল  হুড়োহুড়ি-ব্যস্ততা। আসন্ন উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আজই শেষ দিন। শিবসেনা-বিজেপি এবং কংগ্রেস-এনসিপি জোট ভেঙে যাওয়ার পর সব দলগুলিকেই একেবারে শেষমুহুর্তে প্রার্থী দিতে হচ্ছে। ফলে রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দেবেন শেষদিনেই।

মহারাষ্ট্রে  রাজনৈতিক অচলাবস্থা, রাষ্ট্রপতি শাসনের সম্ভাবনা মহারাষ্ট্রে রাজনৈতিক অচলাবস্থা, রাষ্ট্রপতি শাসনের সম্ভাবনা

মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটের প্রভাব পড়েছে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে। বিজেপি-শিবসেনা এবং কংগ্রেস-এনসিপি জোট ভেঙে যাওয়ায় সঙ্কটে এনডিএ এবং ইউপিএ। চার দলই ব্যস্ত নতুন সঙ্গীর খোঁজে। এদিনই শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে ফোনে কথা বলেন এমএনএস নেতা রাজ ঠাকরের সঙ্গে। সমাজবাদী পার্টিকে পাশে পেতে মরিয়া কংগ্রেস। এই অবস্থায় এবার মহারাষ্ট্রের নির্বাচনে সম্ভবত দেখা যাবে চার কিংবা পাঁচ দলের লড়াই।

জোট জট- প্রায় ছাড়িয়ে ফেলল বিজেপি, আরও জড়িয়ে ফেলল কংগ্রেস জোট জট- প্রায় ছাড়িয়ে ফেলল বিজেপি, আরও জড়িয়ে ফেলল কংগ্রেস

মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচনে আসন সমঝোতা নিয়ে জট অব্যাহত।  বিজেপি, শিবসেনা দুতরফই জোট ধরে রাখতে আগ্রহী। তবে আসন সমঝোতা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত রফাসূত্র মেলেনি। সুর খানিকটা নরম করে বিজেপিকে ১৩০টি আসন ছাড়তে রাজি হয়েছে শিবসেনা। সেনা লড়তে চায় ১৫১টি আসনে।  জোট জট কাটেনি কংগ্রেস ও এনসিপির মধ্যেও।  আজ সকালে দু দল বৈঠকে বসলেও কোনও সমাধানসূত্র বেরোয়নি।

মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচন ১৫ অক্টোবর, ফল ঘোষণা ১৯ তারিখ মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচন ১৫ অক্টোবর, ফল ঘোষণা ১৯ তারিখ

মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করল কমিশন। আগামী ১৫ অক্টোবর ভোট গ্রহণ হবে ওই দুই রাজ্যে। ফল ঘোষণা হবে ১৯ তারিখ

লোকসভা বিপর্যয়ে জাতীয় দলের মর্যাদা হারাতে পারে সিপিআই, শরদ পাওয়ার ও মায়াবতীর দল

লোকসভা ভোটে বিপর্যয়ের জেরে জাতীয় দলের মর্যাদা হারাতে পারে শরদ পাওয়ারের ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি, মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টি এবং সিপিআই। প্রায় দুসপ্তাহ আগে এবিষয়ে এই তিন রাজনৈতিক দলকে শোকজ নোটিস পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

লোকসভা ভোটে কংগ্রসের সঙ্গে মহারাষ্ট্রে আসন রফা চূড়ান্ত এনএসপি-এর

লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন রফা চূড়ান্ত করল শরদ পাওয়ারের এনসিপি। মহারাষ্ট্রের ৪৮টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস লড়বে ২৬টি আসনে। জোটের হয়ে বাকি ২২টিতে প্রার্থী দেবে এনসিপি।

মোদীর সঙ্গে গোপন বৈঠক পাওয়ারের!

লোকসভা নির্বাচন যত সামনে আসছে ততই পাল্টাছে রাজনৈতিক সমীকরণ।তৈরি হচ্ছে একের পর এক নতুন জল্পনা। শোনা যাচ্ছে বিজেপি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার। একটি মারাঠি সংবাদপত্রে প্রকাশ, গত সতেরোই জানুয়ারি মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন পাওয়ার। যদিও টুইটারে ওই বৈঠকের খবরকে ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা বলে দাবি করেছেন এনসিপি সুপ্রিমো। শরদ পাওয়ারের দাবি গত একবছরে মোদীর সঙ্গে দেখাই হয়নি তাঁর। বৈঠকের কথা অস্বীকার করেছেন এনসিপি সাংসদ প্রফুল্ল প্যাটেলও।