পাকিস্তানে বিস্ফোরণ, মৃত ৪৭

Update: February 16, 2013 21:18 IST

পাকিস্তানের দক্ষিণ পশ্চিমে কুয়েটা অঞ্চলে শক্তিশালী বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত ৪৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ২০০ জন। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় পুলিস অফিসার ওয়াজির নাজির এই কথা জানিয়েছেন।

বিস্ফোরণটি রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ঘটানো হয়েছে বলেও জানান নাজির।

তিনি এই বিস্ফোরণকে জাতিগত হামলা বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন "শিয়া সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করেই হামলাটি হয়।"

বালুচিস্তান অঞ্চলের রাজধানী কুয়েতা আফগানিস্তান ও ইরানের সীমান্তবর্তী শহর। বিচ্ছিন্নতাবাদী ও জাতিগত হামলা এখানে নতুন নয়। গত মাসেই শহরের শিয়া প্রধান অঞ্চলে একটি জনবহুল স্নুকার ক্লাবে বিস্ফোরণে ৯০ জন প্রান হারান। নিষিদ্ধ সুন্নি জঙ্গী সংগঠন লস্কর-এ-জাংভি জানুয়ারির হামলার দায় স্বীকার করে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।