অবশেষে প্রস্তুত বোয়িংয়ের সেভেন-এইট-সেভেন ড্রিমলাইনার বিমান

Update: September 27, 2011 18:18 IST

টানা তিন বছরের অপেক্ষার অবসান। অবশেষে তৈরি বোয়িংয়ের সেভেন-এইট-সেভেন ড্রিমলাইনার বিমান। ধাতু নয়, মুলত প্ল্যাস্টিকে তৈরি ড্রিমলাইনার অন্যান্য বোয়িং বিমানের থেকে অনেক হাল্কা। জ্বালানিও সাশ্রয় করে। কূড়ি কোটি ডলার মুল্য এই ড্রিমলাইনার বিমানটি কিনেছে জাপানের অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ। আগামী ছাব্বিশে অক্টোবর থেকে উড়ান শুরু করছে ড্রিমলাইনার।

দুহাজার আট সালেই বোয়িং সেভেন-এইট-সেভেন ড্রিমলাইনার বিমানটির উড়ান শুরুর কথা ছিল। কিন্তু তিন বছর ধরে লাগাতার টালবাহানা চলেছে। কখনও প্রযুক্তিগত সমস্যা, কখনও শ্রমিক ধর্মঘট; নানান কারণে দেরি হচ্ছিল। এর ফলে বোয়িং সংস্থার কয়েক লক্ষ ডলার লোকশানও হয়েছে। কিন্তু এবার বোয়িং সেভেন-এইট-সেভেন ড্রিমলাইনার তৈরি। জাপানের অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ বিমানটি কিনেছে কূড়ি কোটি ডলারে। নিছক বিলাসবহুল বা আরামদায়ক বিমান নয়। সেভেন-এইট-সেভেন ড্রিমলাইনার ধাতু নির্মিত বোয়িং সেভেন-ফোর-সেভেনের তুলনায় অনেক হাল্কা। জ্বালানি সাশ্রয় করার পাশাপাশি এই নতুন বিমান অনেক বেশি দুরত্ব পাড়ি দিতে সক্ষম। বোয়িং কর্তৃপক্ষের আশা, আগামিদিনে বিমান তৈরির ক্ষেত্রে সেভেন-এইট-সেভেন ড্রিমলাইনার একটা উদাহরণ হবে। আগামী ছাব্বিশে অক্টোবর থেকে নিয়মিত উড়ান শুরু করবে এই নতুন বিমান। প্রথমে ঘরোয়া ক্ষেত্রে, তারপর দুরপাল্লা উড়ান শুরু হবে। বোয়িং ইতিমধ্যে আটশো একুশটি ড্রিমলাইনার তৈরির বরাত নিয়েছে। দুহাজার তেরোয় বাজারে আসছে এয়ারবাস এ-থ্রি ফাইভ জিরো। অনুমান আগামিদিনে ড্রিমলাইনারের সঙ্গে এয়ারবাস এ-থ্রি ফাইভ জিরোর জোর টক্কর হবে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।