জারদারির বিরুদ্ধে বন্ধ হওয়া মামলা শুরুর নির্দেশ

পাক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির বিরুদ্ধে বন্ধ থাকা দুর্নীতির মামলাগুলি পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিল পাক সর্বোচ্চ আদালত। তবে তার জন্য দরকার আরও কিছুটা সময়। আদালত অবমাননা মামলার দ্বিতীয় দফার শুনানি উপলক্ষে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে একথা বলেন পাক প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরফ। শীর্ষ আদালতকে তিনি জানিয়েছেন, আইন মন্ত্রককে দ্রুত এবিষয়ে সমস্ত নির্দেশ দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে সুইস ব্যাঙ্ককে লেখা দেশের প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল মালিক কায়ুমের একটি চিঠিও ফেরত চাওয়া হবে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে। ২-৩ দিনের মধ্যে সেই চিঠি সুপ্রিম কোর্টের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে শীর্ষ আদালত কে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরফ।

Updated By: Sep 18, 2012, 03:44 PM IST

পাক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির বিরুদ্ধে বন্ধ থাকা দুর্নীতির মামলাগুলি পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিল পাক সর্বোচ্চ আদালত। তবে তার জন্য দরকার আরও কিছুটা সময়। আদালত অবমাননা মামলার দ্বিতীয় দফার শুনানি উপলক্ষে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে একথা বলেন পাক প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরফ। শীর্ষ আদালতকে তিনি জানিয়েছেন, আইন মন্ত্রককে দ্রুত এবিষয়ে সমস্ত নির্দেশ দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে সুইস ব্যাঙ্ককে লেখা দেশের প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল মালিক কায়ুমের একটি চিঠিও ফেরত চাওয়া হবে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে। ২-৩ দিনের মধ্যে সেই চিঠি সুপ্রিম কোর্টের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে শীর্ষ আদালত কে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরফ।
বিতর্কিত চিঠিটিতে মালিক কায়ুম সুইস ব্যাঙ্ককে লিখেছিলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, জেনারেল পারভেজ মুশারফের আমলে এনআরও জারি করে আসিফ আলি জারদারিসহ পাকিস্তানের বহু রাজনীতিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলাগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০০৯ ডিসেম্বর মাসে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের জারি করা এনআরও বাতিল করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। তারপর থেকেই প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির বিরুদ্ধে দুর্নীতির সমস্ত মামলা পুনরায় চালু করার নির্দেশে দেয় শীর্ষ আদালত। তবে প্রেসিডেন্টের কিছু বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে, এই যুক্তিতে জারদারির বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চালু করতে বিরত থাকেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি। এই ঘটনার জেরে আদালত অবমাননার দায়ে ক্ষমতাচ্যুত হন তিনি। পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ ইউসুফকে একই রকম নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। গত ২৭ অগাস্ট তাঁকে আদালতে তলব করে পাক সুপ্রিম কোর্টের ৫ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ। তখনই শীর্ষ আদালত প্রধানমন্ত্রীকে ৩ সপ্তাহের সময় দেয়। এরপর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীকে পাক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলাগুলি চালু করা নিয়ে সরকারের অবস্থান জানাতে, আরও ৭ দিন সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৫ সেপ্টেম্বর।

.