গাজায় আগ্রাসনের প্রতিবাদে সরব কাবুল থেকে কলকাতা

Update: November 24, 2012 22:13 IST

ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হলেও গাজায় আপাত শান্তির মেয়াদ কতদিন, তা নিয়ে চিন্তায় আন্তর্জাতিক মহল। সেই আশঙ্কাতেই প্যালেস্তাইনে ইজরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে চলছে প্রতিবাদ। সেই প্রতিবাদই একনজরে---   

আম্মান, জর্ডন:
গাজায় ইজরায়েলের হামলার প্রতিবাদে প্রতিবেশী জর্ডনের রাজধানী আম্মানের রাস্তায় বিক্ষোভে সামিল হলেন অগণিত মানুষ। হামাসের পক্ষে স্লোগান তুলে পথে নামেন প্যালেস্তাইনি উদ্বাস্তু শিবিরের বাসিন্দারা। গাজায় ত্রাণ সাহায্য পাঠানোর জন্য আন্তর্জাতিক মহলের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।


বাগদাদ, ইরাক
প্যালেস্তাইনের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইরাকের সাধারণ মানুষ। বাগদাদের ফিরদস স্ক্যোয়ারে প্যালেস্তাইনের পতাকা হাতে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। প্রতিবাদ জানান আগ্রাসনের। গাজায় সাহায্য পাঠানোর জন্য ইরাক সরকারের কাছে দাবি জানান তাঁরা। 

কাবুল, আফগানিস্তান
তেল আভিভের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন আফগান জনগণ। কাবুলে পুড়ল ইজরায়েলের পতাকা। উঠল আমেরিকা বিরোধী স্লোগান। 
জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া:
গাজায় হামলার প্রতিবাদে জাকার্তায় মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন সাধারণ মানুষ। তেল আভিভের পাশে না দাঁড়ানোর জন্য ওয়াশিংটনের কাছে দাবি জানান তাঁরা। 

ম্যানিলা, ফিলিপাইনস

গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে সামিল ফিলিপিনসও। ম্যানিলায় ইজরায়েলি দূতাবাসের সামনে জ্বলল মোমবাতি।

কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
ইজরায়েলের বিরুদ্ধে প্যালেস্তাইনি জনগণের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে সরব শ্রীলঙ্কার জনগণ। শুক্রবার নমাজের পর রাস্তায় নামেন তাঁরা।  

আলিগড়, উত্তরপ্রদেশ
গাজায় ইজরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বজোড়া প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছে ভারতেও। শুক্রবার, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা 
বিক্ষোভে সামিল হন। নয়াদিল্লিকে প্যালেস্তাইনের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়কে স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। 

শ্রীনগর, জম্মু-কাশ্মীর
প্যালেস্তাইনের মাটিতে ইজরায়েলি হানায় মৃত্যুর প্রতিবাদে এদিন জম্মু-কাশ্মীরে বনধের ডাক দেন বিচ্ছিন্নতাবাদী হুরিয়ত নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানি। বনধের জেরে শ্রীনগরের রাস্তাঘাট ছিল জনশূন্য। খোলেনি দোকানপাট। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে শহরের বিভিন্ন জায়গায় কার্ফিউ জারি করা হয়।

কলকাতা
গাজায় ইজরায়েলি হানার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সামিল কলকাতাও। বামপন্থী ছাত্র-যুব সংগঠনের ডাকে মিছিলে পা মেলান বহু মানুষ। পোড়ানো হয় ইজরায়েলের সহযোগী আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কুশপুতুল।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।