সুমাত্রায় জেগে উঠেছে আগ্নেয়গিরি মাউন্ট সিনাবাং, ঘরছাড়া ৬হাজার মানুষ

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে জেগে উঠেছে আগ্নেয়গিরি মাউন্ট সিনাবাং। আগ্নেয়গিরি থেকে আশেপাশের গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে পাথর এবং ছাই। মাউন্ট সিনাবাং সংলগ্ন অঞ্চলে বাড়ানো হয়েছে সতর্কতা। ৬হাজারের বেশি মানুষ ঘর বাড়ি ছেড়ে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন।

Updated By: Sep 19, 2013, 09:51 AM IST

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে জেগে উঠেছে আগ্নেয়গিরি মাউন্ট সিনাবাং। আগ্নেয়গিরি থেকে আশেপাশের গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে পাথর এবং ছাই। মাউন্ট সিনাবাং সংলগ্ন অঞ্চলে বাড়ানো হয়েছে সতর্কতা। ৬হাজারের বেশি মানুষ ঘর বাড়ি ছেড়ে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন।
চারশ বছর পরে ২০১০-এ শেষ বার অগ্নুত্পাত হয়েছিল মাউন্ট সিনাবাং থেকে। তার আগে দীর্ঘ সময় সুপ্তই ছিল এই আগ্নেয়গিরি। গত রবিবার সকাল থেকে ফের জেগে উঠেছে মাউন্ট সিনাবাং। রবিবার আগ্নেয়গিরি থেকে ছাই এবং পাথর ছড়িয়ে পড়ে
আশপাশের গ্রামে। বিপদ বুঝে গ্রামগুলি খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় প্রশাসন। এই মুহূর্তে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন ত্রাণ শিবিরগুলিতে।  তবে ত্রাণ শিবিরের পরিকাঠামো যথেষ্ট নয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে বহু শিশু ।
মাউন্ট সিনাবাং থেকে ছড়িয়ে পড়া ছাই থেকে বাঁচতে মাক্স ব্যাবহার করার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। বাড়ানো হয়েছে সতর্কতার মাত্রা। প্রশাসনের তরফে পাঁচটি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। ঘড়ছাড়াদের সংখ্যা যে হারে বাড়ছে তাতে আরও তিনটি শিবির খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। খোলা হয়েছে হাসপাতাল। মাউন্ট সিনাবাং সংলগ্ন গ্রামগুলি এখন ফাকা। আতঙ্কিত মানুষ রাত কাটাচ্ছেন ত্রাণ শিবিরগুলিতে।
মাউন্ট সিনাবাং থেকে ছড়িয়ে পড়া ছাই থেকে বাঁচতে মাক্স ব্যাবহার করার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। বাড়ানো হয়েছে সতর্কতার মাত্রা। প্রশাসনের তরফে পাঁচটি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। ঘড়ছাড়াদের সংখ্যা যে হারে বাড়ছে তাতে আরও তিনটি শিবির খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। খোলা হয়েছে হাসপাতাল। মাউন্ট সিনাবাং সংলগ্ন গ্রামগুলি এখন ফাকা। আতঙ্কিত মানুষ রাত কাটাচ্ছেন ত্রাণ শিবিরগুলিতে।

.