বেলদায় মুখ্যমন্ত্রীর মুখে প্রতিশ্রুতি আর আত্মপ্রশংসা

Update: January 16, 2013 17:45 IST

আজ পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায় জঙ্গলমহল সফরে ফের একবার কল্পতরু হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। উজাড় করে দিলেন তাঁর প্রতিশ্রুতির ঝুলি। সঙ্গে নিয়মমাফিক আক্রমণ হানলেন পূর্বতন বামসরকারের প্রতি। দিলেন তাঁর সরকারের সাফল্যের খতিয়ানও।

বেলদার জনসভায় একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাসের মুখ্যমন্ত্রী। এরমধ্যে রয়েছে কংসাবতী নদীর ওপর মেদিনীপুর অ্যানিকাট বাঁধের পুনর্গঠন সহ কয়েকটি প্রকল্প। ঘোষণা করলেন একগুচ্ছ নতুন প্রকল্পেরও। জানালেন পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরেই তৈরি করবেন বেলদা মিউনিসিপ্যালিটি। বিদ্যাসাগর ইন্ড্রাস্টিয়াল পার্কে হবে ৩৬ হাজার কর্মসংস্থান। পাঁচটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

বিরোধী দলনেতার খাসতালুকে দাঁড়িয়ে পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলকে জেতানোর আহ্বান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। আহ্বান জানালেন সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে। কংসাবতী নদীতে অ্যানিকেট বাঁধ, একাধিক জল প্রকল্প, ব্লকে ব্লকে আইটিআই, প্রতিটি মহকুমায় পলিটেকনিক কলেজের মতো নানা প্রকল্প ঘোষণা, শিলান্যাস। সাইকেল, জমি, পাওয়ার টিলার বিলি। বুধবার বেলদার সভায় রীতিমতো কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী। 
 
 
সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই নিজের দলের জন্য ভোট চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে নিজের সরকারকে ঢালাও সার্টিফিকেট। ৯৯ শতাংশ কাজ হয়ে গেলে কেন হতাশ না হওয়ার পরামর্শ দিতে হল মুখ্যমন্ত্রীকে? উঠছে প্রশ্ন। সরকারের হাতে টাকা না থাকার জন্য আগের বামফ্রন্ট সরকার ও কেন্দ্রের কংগ্রেস সরকারের কোর্টেই বল ঠেলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে চেনা বিরোধী দলনেত্রীর ঢঙে মুখ্যমন্ত্রী কাঠগড়ায় তুললেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে।
 
 
সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চকে রাজনৈতিক প্রচারের কাজে লাগানোর অভিযোগ আগেও উঠেছে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। কিন্তু সম্ভবত এই প্রথম বার সরকারি মঞ্চ থেকে সরাসরি তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার ডাক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।







Post Your Comment

Total Comments:10

পশ্চিমবঙ্গ টা মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেবার জায়গা না

disahin ebong uddessohin sorkar......

Satatar protik ebar mithyar protike prorinoto hoychhen.

didi r didi r doler mukhos khulche manus r samne. didi akhon chokhe sorse ful dekhche.tai khali vulval bokche.

Didi... Je R koto Shila r Maa hoben ...Ta bojha jachhe na

34 bochorer left sason tai banglar manus bujte deri koreche..tai didi tmc ke bujte deri lagbe bangalr manuser...

DHANDABAJ BAJ MOHILER DHAPPABAJI,AAR BESIDIN NOI. BANGLAER MANUSH DHANDABAJI DHORE FELECHEN.UNI HITLARER BANGIO SANSKARON EKNAYAKTANTRO,SAIRATANTRIK SASAK. JAR PROTI PODAI AMRA DEKHETE PACHHI.

I THINK IT HAS NOT YET BEEN FORGOTTEN BY MAMATA THAT WHO WERE WITH HER IN JANGALMAHAL, NANDIGRAM,SINGUR TO CREATE TERRORISM, HELTER-SKELTER SITUATION IN BENGAL. NONE BUT ONLY MAMATA BANERJEE IS RESPOSIBLE FOR THE PRESENT SITUATION OF BENGAL. IT IS USELESS OF HER TO BLAME OTHERS.SHE DOES NOT HAVE THE CAPACITY TO BE THE CHIEF MINISTER.

কত অভিনয় আপনি জানেন, তা বাংলার মানুষ এই ২০ মাসে বুঝে গেছে। আপনার কি এক্তু বধ সক্তি নেই ,জারা পুলিশ কে মেরেছে তাদেরকে অপ্নে দেকে চাকুরি দিছেন।আপ্নি মনে করে৩ন আপনি এক মাত্র চালাক লক ,বাংলায় আর সব বকা ,বুজদে পারবেন সাম্নের পঞ্চায়েত নিরবাচনে আপনি আপনার গুন্দাদের নিওন্ত্রন করুন দেখবেন ,আপনার দল ১০ সিত অ পাবেন না ।সুতরাং যদি আপনার গুন্ডা বাহিনিকে লেলিয়ে দেন তার পরিনাম আপনাকে দিতে হবে।

SONAR BANGLA ! শুধু তোমার বাণী নয়... তার সাথে আছে শিলা-বৃষ্টি !!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।