মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়বাসীর আবেগকে আঘাত করেছেন: বিমল গুরুং

Update: January 29, 2013 16:32 IST

"দার্জিলিঙকে এই রাজ্যের অঙ্গ বলায় পাহাড়বাসীর আবেগ আহত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য করা উচিত হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী যখনই এখানে আসেন আমাদের সামান্য দুঃখ দিয়ে যান।" উত্তরবঙ্গ উৎসবের অনুষ্ঠান মঞ্চে বিক্ষোভ প্রর্শনকারীদের কার্যত সমর্থন করে এই প্রতিক্রিয়াই জানালেন জিটিএ প্রধান বিমল গুরুং।

তিনি আরও অভিযোগ করেন জিটিএকে অন্ধকারে রেখেই সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে তিনি সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ করেন জিটিএ-র প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি জেলাশাসক সৌমিত্র মোহনের বিরুদ্ধে।
দেখুন কী বললেন বিমল গুরুং (ভিডিও)
 উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেব তাঁকে এ দিনের অনুষ্ঠানে আসতে অনুরোধ করেন।

এ দিন সভাস্থলে গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে বিক্ষোভের মুখে পড়ায় মোর্চা নেতাদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক বাতিল হয়ে যায়। অথচ আজ মোর্চা নেতা বিনয় তামাং জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার দার্জিলিংয়ে সভার শেষে বিকালে মমতার সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা।

গত কয়েকদিন ধরে গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ দেখালেও আজ মোর্চার কোনও কর্মসূচি নেই বলেই জানা গেছে। আজ বিকেলে রোশন গিরির নেতৃত্ব দেখা করেন বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণীর সঙ্গে।





Post Your Comment

Total Comments:4

No where in India any such comunity has been given separate state those who have a separate country of their own then why for them? Once RAJIB GANDHI told ``Nepalees should go to Napal if they want separate STATE.``

``GTA`` CHUKTIR SOMAI TO MAMATA BANERJEE ``GORKHALAND`` MENE NIYE CHUKTI KORE CHILEN. KON JUKTITE ``GORKHALAND`` LEKHAR JUKTI CHILO. KHOG NIYE DEKHUN TAKHUN MOUKHIK AWASAS NISCHOI DIYE CHILEN.

FREEDOM FIGHTERS FOUGHT AGAINST POWER-MONGER BRITISHERS.SO EASY JOB! YES.THEY HAD THE SCOPE TO IDENTIFY THE RULER-EXPLOITER BY LANGUAGE AND CREED.TO-DAY`S SO CALLED FIGHTERS ARE EXTRA ORDINARY.THEY ARE ALL FINDING OUT WHO IS MORE POWER GREEDY IN INDEPENDENT IN INDIA,A NOBLE FIGHT. LET US HOPE FOR BETTER FIGHT.BUT ALL ARE BATTLE OF POWER NOT PEOPLES`RELIEF WAR.

KALKAI TO MAMATAR PA CHATTE JABEN.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।