ত্রাসের আবহে শেষ হল ১২টি পুরসভার ভোট, ছাপ্পা ভোট, বুথ জ্যাম, সন্ত্রাসের অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে

কোথাও পুলিসের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ উঠল। কোথাও বা পুলিসের সামনেই ছাপ্পা ভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসকদলের বিরুদ্ধে ।  বারোটি পুরসভার ভোটে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে।  পঞ্চায়েত ভোটের পর এবার পুর ভোটেও ছাপ্পা ভোট, বুথ জ্যাম সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।

Updated: Sep 21, 2013, 07:44 PM IST

কোথাও পুলিসের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ উঠল। কোথাও বা পুলিসের সামনেই ছাপ্পা ভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসকদলের বিরুদ্ধে ।  বারোটি পুরসভার ভোটে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। 
পঞ্চায়েত ভোটের পর এবার পুর ভোটেও ছাপ্পা ভোট, বুথ জ্যাম সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।
পুলিসের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে বুথ দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠল হাবড়ার আক্রামপুরের এগারো নম্বর ওয়ার্ডে। ভয় দেখাতে শূন্যে গুলিও চালানো হয়। বুথের নিরাপত্তায় থাকা পুলিস কর্মী ভরত সরকার ও জয়দেব মুর্মুর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে বুথে ঢোকে দুষ্কৃতীরা। চোদ্দ নম্বর ওয়ার্ডে ইভিএম ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।  বেশ কিছুক্ষণের জন্য বনগাঁ-শিয়ালদা শাখার ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়।
সকাল থেকেই বর্ধমানের বিভিন্ন বুথে বামেদের পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠতে শুরু করে। যে সব এলাকা বামেদের শক্তঘাঁটি বলে পরিচিত, সেসব জায়গায় ভোটারদেরও বুথে যেতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তেইশ নম্বর ওয়ার্ডে পুলিসের সামনেই ছাপ্পা ভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। 
পুর নির্বাচন ঘিরে অশান্ত হয়ে ওঠে গুসকরার তেরো নম্বর ওয়ার্ড। সিপিআইএম প্রার্থী মনোজ সাউকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে পথে নামে সিপিআইএম। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চার্জ করে পুলিস।
তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে পুরসভার ২১টি ওয়ার্ডেই বুথ দখল করে ভোট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ এনেছে বামেরা।
 
পুরভোটকে কেন্দ্র করে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি। অ্যাঙ্গেলস নগরে এলাকা খালি করতে শাসক দলের কর্মীরা শূন্যে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সতেরো নম্বর ওয়ার্ডের নন্দনকানন প্রাথমিক স্কুলে দুটি বুথ দখল করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এক বাম এজেন্টের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। তিরিশ নম্বর ভোটের লাইনে এক মহিলা ভোটারকে মারধর করা হয়। তৃণমূল নেতা মাধব নন্দীর উস্কানিতেই মহিলাকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ সিপিআইএমের। 

বীরভূমের দুবরাজপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভোটারদের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। অভিযোগ, নয় নম্বর ওয়ার্ডে ভোটারদের ভোট দিতে যেতে দেয়নি তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। ঘটনার প্রতিবাদ করায় তারা কংগ্রেস কর্মীদের  উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।