বেআইনি মদের ঠেকের প্রতিবাদ করায় খুন চিকিতসক

Update: February 10, 2013 23:52 IST

বেআইনি মদের ঠেকের প্রতিবাদ করায় এক চিকিত্সককে খুন করল দুষ্কৃতীরা। শ্বাসরোধ করে খুন করার পর দুষ্কৃতীরা মৃতদেহটি পুড়িয়ে ফেলায় চেষ্টা করে। নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির মোমক মুন্সির গোডাউন এলাকায়। দোষীদের শাস্তির দাবিতে দীর্ঘক্ষণ মৃতদেহ আটকে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মানুষ।

অন্যান্য দিনের মতো শনিবারও বাড়ি থেকে দশ কিলোমিটার দূরে মোমকপুরের চেম্বারে রোগী দেখতে গিয়েছিলেন চিকিত্সক সঞ্জয় চক্রবর্তী। রবিবার সকালে রাজহাটি মারওখানা সড়ক যোজনার কাছে রাস্তার ধারে তাঁর অর্ধদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। দিন কয়েক আগেই এলাকার বেআইনি মদের ঠেকের বাড়বাড়ন্তের প্রতিবাদ করেছিলেন সঞ্জয় চক্রবর্তী। তার জেরেই দুষ্কৃতীরা চিকিত্সককে খুন করেছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

বেআইনি মদের ঠেকই নয়, এলাকায় বেশকিছুদিন ধরেই দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বাড়লেও, পুলিস কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছেনা বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে দীর্ঘক্ষণ মৃতদেহ আটকে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসী। ভাঙচুর করা হয় বেশকয়েকটি মদের ভাঁটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিসের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। উপযুক্ত তদন্তের আশ্বাস দেওয়ার পর বিক্ষোভ তুলে নেওয়া হয়।
 

Post Your Comment

Total Comments:1

R KICHU DIN POR A SONA JABE SAJANO GHOTONA !!! R O SONA JABE SOB MEDIA AR DOS... R POLICE AR KHOTA...... ONADER AKHON 1TAI DIALOG ``AMARA DEKCHI KI KORA JAI`` ta chara onader r kicu korar nai

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।