ঋণগ্রস্ত কৃষকদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়ে ব্যাঙ্কের পোস্টার

Update: March 13, 2012 11:27 IST

ঋণশোধ করতে না পারায় জমি নিলামের নোটিস দেওয়াকে কেন্দ্র করে তমলুকের সমবায় ব্যাঙ্ককর্তাকে মহাকরণে তলব করা হল। ডেকে পাঠানো হয়েছে তমলুক কোঅপারেটিভ এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্কের মুখ্য নির্বাহী আধিকারিক অরুণকুমার মিশ্রকে। সরকারকে হেয় করতেই ব্যাঙ্কটি ঋণগ্রস্ত কৃষকদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নোটিশ দিয়েছে বলে গতকাল মহাকরণে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অনাদায়ী ঋণের জন্য কৃষকদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা নিয়ে আগের সরকারের আইন বাতিল করার কথা জানান তিনি। যদিও, সংশ্লিষ্ট সমবায় ব্যাঙ্কটি তৃণমূল সদস্যরাই পরিচালনা করেন বলে জানিয়েছেন ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির প্রধান।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।