পায়ে পায়ে জাঠা পৌঁছল আসানসোল

Update: March 2, 2013 11:04 IST

লোকসভা নির্বাচনের আগে বাম  গণতান্ত্রিক  বিকল্পের কথা প্রচার করতে দেশজুড়ে জাঠা করছে সিপিআইএম। গতকাল থেকে শুরু হল কলকাতার জাঠা। এই জাঠার নেতৃত্বে রয়েছেন সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট ও বিমান বসু। রানি রাসমণি রোডে জাঠার সূচনা করেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কলকাতা থেকে রওনা হওয়া জাঠা আজ আসানসোল পৌঁছচ্ছে।

এতদিন কংগ্রেস এবং বিজেপি, দেশের দুই বড় রাজনৈতিক শক্তির বিরোধিতা করতে তৃতীয় বিকল্পের পথে হেঁটেছিল বামেরা। কিন্তু সেই রাস্তা থেকে সরে এসে এখন বাম গণতান্ত্রিক বিকল্প গড়ে তুলতে চায় তাঁরা। সিপিআইএমের মূল্যায়ন, সেই বিকল্প গড়ে তুলতে হলে দলীয় শক্তিকে মজবুত করা জরুরি। কংগ্রেস এবং বিজেপির সমালোচনার পাশাপাশি নিজেদের নীতিগুলিকে প্রচারের আলোয় নিয়ে আসতে চায় সিপিআইএম। আর সেই লক্ষ্যে দেশজড়ে জাঠা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। 
 
চব্বিশে ফেব্রুয়ারি কন্যাকুমারি থেকে শুরু হয়েছে প্রথম জাঠা। শুক্রবার কলকাতায় সূচনা হল দ্বিতীয় জাঠার। ৪ মার্চ অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগ থেকে এবং ৮ মার্চ মুম্বই থেকে দুটি জাঠা শুরু হবে। যাত্রাপথে বিভিন্ন জায়গায় থামবে জাঠা। রয়েছে পথসভা, মিছিলের কর্মসূচিও।
 
মূল ৪টি জাঠার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে বিভিন্ন উপজাঠা। যেমন কলকাতার জাঠার সঙ্গে  যুক্ত হয়েছে অসম আর ওড়িশার দুটি উপজাঠা। কলকাতা থেকে ঝাড়খণ্ড-বিহার-উত্তরপ্রদেশ হয়ে দিল্লি পৌঁছবে জাঠা। সবকটি জাঠা দিল্লি পৌঁছলে ১৯ মার্চ রামলীলা ময়দানে সমাবেশ করবে সিপিআইএম।

Post Your Comment

Total Comments:1

LAL........... SELAM................

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।