কবে হবে পঞ্চায়েত ভোট, ধন্দে নির্বাচন কমিশন

Update: March 2, 2013 10:51 IST

পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রাজ্য নির্বাচন কমিশন। প্রথম পর্যায়ের কাজ সমাপ্ত হয়েছে গতমাসেই। কিন্ত শেষ পর্যায়ের কাজে হাত দিতে পারছেনা কমিশন। বাদ সাধছে রাজ্যই। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ কেটে গেলেও ঠিক কটি পর্যায়ে নির্বাচন হবে তা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কমিশন।

কিছুদিন আগেও পঞ্চায়েত ভোট এগিয়ে আনতে উদ্যোগী ছিল রাজ্য সরকার। জানুয়ারি মাসেই নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে আর্জিও জানানো হয়। পরে অবশ্য সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে রাজ্য সরকার। ঠিক হয় মে মাসেই নির্বাচন হবে। সেই অনুযায়ী পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রথম ধাপের কাজ শেষ করে ফেলেছে পঞ্চায়েত দফতর। শেষ হয়েছে ডিলিমিটেশন, নির্বাচনক্ষেত্র স্থির করার কাজ।

কিন্তু তারপরই নতুন সমস্যায় কমিশন। কমিশন চায় রাজ্যে তিন দফায় পঞ্চায়েত ভোট করতে। এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারকে চিঠিও দিয়েছে কমিশন। কিন্তু তার কোনও জবাবই এখনও পর্যন্ত দেয়নি রাজ্য সরকার। রাজ্যের এই নীরবতায় রীতিমত সমস্যায় কমিশন। নির্বাচনসূত্রের খবর এই অহেতুক বিলম্বে রীতিমতো বিস্মিতও তাঁরা। দিন স্থির করা নিয়ে রাজ্যের তরফে এই ধরনের সমস্যা তৈরি হওয়াকে নজিরবিহীন ঘটনা হিসাবেই দেখছে কমিশন। মনোনয়ন জমা দেওয়াকে ঘিরে উত্তেজনা এড়াতে কমিশনের প্রস্তাব ছিল কেন্দ্রগুলিতে আগেই আধাসেনা পাঠানো হোক। কিন্তু এনিয়েও রাজ্যের তরফে মেলেনি কোনও উত্তর। অসমাপ্ত কাজের মধ্যে এখনও রয়েছে প্রার্থীর নামের তালিকা নির্ধারণসহ আরও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কমিশন কর্তাদের মতে সেই কাজ শেষ করতে আনুমানিক প্রায় চারমাস সময় লাগবে। রাজ্যের তরফে নির্বাচনের দিন স্থির করা নিয়ে কোনও উত্তর না মেলায় আপাতত দিশাহীনভাবেই কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে হচ্ছে কমিশনকে। 

Post Your Comment

Total Comments:3

WHAT IS THE ELECTION? WHERE SHE IS PRESENT.ELECTION IS A SLUNG EXPENDITURE FOR THIS STATE NOW SO NO DATE NECESSARY FOR ELECTION HERE. PLEASE ELECTION COMMISSION GIVE A CHANCE FOR SELECTION.

JARA KEBOLMATRA, JENOTENO BHAVE JITTEY CHAYE TARAI SUSTHA, SWABHABIK NIRBACHAN CHAI NA, KARON TAHALE TADER GANATANTRIK HATE HABE. NIRBACHAN PARICHALAKRA KENO JE EI BISHOYETA BOJHE NA, KE JANE?

tmc - an aimless-drifted-coward..We r not at all worried about this criminal-clan but what matters is the future of West Bengal. The main objective of Election is to choose the RIGHT PEOPLE for decisions that affect the Society and the overall improvement of PEOPLE from various sectors/class. Now Political leaders are continuing their program regarding election participation as a media to exploit PEOPLE. There is no evidence to ``STRIKE the CHORD`` for actual impact on Society through positive attiude. Then how? & when? Cong(I)..BJP...Lefts. We don`t want ``PROSAD`` after Pujas but at least the ``RIGHT TO LIVE HAPPILY``

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।