জঙ্গলমহল সফরে আজ বাঁকুড়ায় মুখ্যমুন্ত্রী

Update: December 3, 2012 10:34 IST

ফের জঙ্গলমহল সফরে মুখ্যমন্ত্রী। গতকাল রাত নটা নাগাদ পুরুলিয়ায় পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের বাংলোয় রাত্রিবাসের পর আজ বেলা সাড়ে এগারোটায় সার্কিট হাউসে প্রশাসনিক বৈঠকে বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে থাকবেন জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। দুপুর একটায় হুটমুড়া ফুটবল মাঠে এক জনসভায় যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। বিকেল ৪টেয় পুরুলিয়া থেকে বাঁকুড়া পৌঁছবেন তিনি।

বাঁকুড়ার সার্কিট হাউসেই এরপর প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। রাতে তিনি থাকবেন সার্কিট হাউসেই। পরের দিন অর্থাত্ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় ওন্দায় সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেলে সড়ক পথে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হবেন মুখ্যমন্ত্রী।   

Post Your Comment

Total Comments:2

I can`t understand what sort of development our C.M brings visiting and bestowing promises throughout West Bengal where the non planning expenditure is going on increasing day by day.

ABAR KONO MAOBADIKE DHORBEN TAR OPEKHYA RAHI LAM.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।