ধৃত মাও লিঙ্কম্যানের বাড়িতে তল্লাসি, উদ্ধার মাও নথিপত্র ও নগদ ৫৫ লক্ষ টাকা

Update: March 3, 2012 12:12 IST

হাওড়া জেলায় বালির রাজচন্দ্রপুরে মাওবাদী লিঙ্কম্যান সন্দেহে ধৃত মাওবাদী সুকুমার মণ্ডলের বাড়িতে তল্লাসি চালাল পুলিস। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুকুমার মণ্ডলের ভাড়া বাড়িতে তল্লাসি চালায় অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিস ও কলকাতা পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।

পুলিস জানিয়েছে, এদিন তল্লাসি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে নগদ ৫৫ লক্ষ টাকা ও বেশ কিছু মাওবাদী নথিপত্র। বাড়ির মালিক রবি গায়েন জানিয়েছেন, ডায়মণ্ড হারবারের বাসিন্দা এক ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিল সুকুমার মণ্ডল। তার দাবি, এক প্রতিবেশীর মাধ্যমেই সুকুমার মণ্ডল ঘর ভাড়া নেয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, সুকুমার মণ্ডলের কাছে একজন অবাঙালি ভদ্রলোক নিয়মিত যাতায়াত করতেন।

গত বুধবার কলকাতা থেকে ৫ সন্দেহভাজন মাওবাদীকে গ্রেফতার করে অন্ধ্র পুলিস ও কলকাতা পুলিসের এসটিএফ। তদন্তে পুলিস জানতে পারে, ধৃতদের মধ্যে ৩ জন মাওবাদী লিঙ্কম্যান পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার ধৃত ৫ জনকে ১৩ মার্চ পর্যন্ত পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেয় ব্যাঙ্কশাল কোর্ট।


Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।