নামছে তাপমাত্রা পারদ, বাড়ছে রোগের দাপট

Update: November 18, 2012 20:12 IST

ধীরে ধীরে নামছে তাপমাত্রার পারদ। প্রতিদিনই একটু একটু করে বদল হচ্ছে আবহাওয়ার। আর এই শীত নামার ঠিক মুখেই জ্বর, সর্দিকাশি, শ্বাসকষ্টের মতো  রোগের সংক্রমণ দেখা যায় ঘরে ঘরে। চিকিত্সকদের মতে এই সময় নির্দিষ্ট কিছু সাবধানতা নিলে এড়ানো সম্ভব রোগের দাপট। নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি হঠাত্‍ করেই রুক্ষ হয়ে যায় পরিবেশ। বাতাসে বাড়ে ধুলিকণার পরিমাণ। ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব পড়ে মানুষের শরীরেও। শুধু ছোট বাচ্চারাই নয় বড়রাও এই সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিত্সদের মতে এই সময় দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক ক্ষেত্রেই কমে যায়। সেই সঙ্গে বেশ কিছু রোগের ভাইরাস এই আবহাওয়ায় সক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে সহজেই অসুখে পড়েন মানুষ। রোগ থেকে বাঁচতে তাই এখনই সচেতন হওয়া দরকার।
রোগ প্রতিরোধের উপায় ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে মাথা, কান ঢাকা রাখুন। ধুলো থেকে বাঁচতে মাস্ক ব্যবহার করুন। শ্বাসকষ্ট থেকে বাঁচতে নিয়মিত গার্গল করুন ও ভেপার নিন। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যুক্ত খাবার যেমন সবুজ শাক সবজি খান। চামড়ার রোগ থেকে বাঁচতে নিয়মিত স্নান করুন। গ্লিসারিন ব্যবহার করুন। সাবধানতা নিলেও শারীরিক সমস্যা দেখা দিতেই পারে সে ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়। বিজ্ঞানসম্মত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে দূরে সরিয়ে রাখা যায় শীতের রোগগুলিকে। তাই ঋতু পরিবর্তনের এই সময় একটু সচেতন থাকুন। নিজে ভাল থাকুন। অন্যকেও ভাল রাখুন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।