নিজস্ব প্রতিবেদন:  আরও সংগঠিত, আরও কর্পোরেট হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। পুরনির্বাচনের প্রাক-মুহূর্তে কার্যত কর্পোরেট স্টাইলে নতুন কর্মসূচি আনছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘দিদিকে বলো’-র পর ‘আমার গর্ব মমতা’। তবে, এই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন হতে চলেছে অভিনব পর্যায়ে। কর্মীদের দেওয়া হচ্ছে বিশেষ পাস। যাতে থাকছে ডিজিটাল বারকোড। স্ক্যান করেই মিলবে প্রবেশের ছাড়পত্র।  


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

আগামী ২ মার্চ ওই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। যেখানে প্রত্যেক আসনের জন্য ওই পাস ইস্যু করা হচ্ছে। সে সব পাসে নাম লেখা থাকবে তৃণমূল কর্মীদের। ওই পাস নিয়ে নির্দিষ্ট আসনেই বসতে হবে তাঁদেরকে। এই পাস কোনওভাবেই হস্তান্তর যোগ্য নয়।


আরও পড়ুন- হৃদয়টা খুব কাঁদছিল, দিল্লির ভাই-বোনেদের জন্য প্রার্থনা করলাম, পুরীতে মমতা


হঠাত্ তৃণমূল এত নিয়মানুবর্তিতার পথে হাঁটছে কেন?  দলের একাংশ বলছেন, পুরনির্বাচনের আগে কর্মীদের সুনির্দিষ্ট বার্তা দিতেই দলের সুপ্রিমোর এই পদক্ষেপ। এর আগে বিভিন্ন সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের কর্মীদের কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নিয়ম না মানলে দলে কোনও জায়গা নেই। শৃঙ্খলাকে সামনে রেখেই আগামী নির্বাচনে এগোতে চাইছেন মমতা। এই পাস দেওয়া হবে সাংসদ, বিধায়ক, পঞ্চায়েত প্রধান, ব্লক সভাপতি, ছাত্র-যুব নেতাদের। তৃণমূলের এক নেতা জানান, পুরভোটে কাদের কাঁধে দায়িত্ব বর্তাবে পাস ইস্যুর উপরই নির্ভর করছে।



বিজেপি গোড়া থেকে শৃঙ্খলাবদ্ধ দল। যে কোনও কর্মসূচি তৈরি হয় অত্যন্ত আঁটঘাট বেঁধে। কর্পোরেট কায়দায় জনসংযোগের কাজ করতে দেখা যায় গেরুয়া শিবিরকে। তৃণমূলও পিছিয়ে থাকতে চাইছে না। তবে, অনেকে মনে করছেন, এই আয়োজনের পিছনে কাজ করছে ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের মস্তিষ্কই।