নিজস্ব প্রতিবেদন: বিজেপির হাত ধরে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন, বিজেপির হাত  ছাড়ার পরও উপমুখ্যমন্ত্রী পদটি তাঁর ঝুলিতেই বরাদ্দ হয়। এনসিপির ‘বিদ্রোহী বিধায়ক’ অজিত পাওয়ার এবার পেতে চলেছেন অর্থ দফতরের দায়িত্বও! এমনটাই সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।  বলে রাখি, মহারাষ্ট্রে সাধারণত ডেপুটির হাতে অর্থ দফতর থাকার ট্র্যাডিশন রয়েছে।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

শিবসেনা সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করা হলো। সোমবার কংগ্রেসের ১০ বিধায়ক মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। জানা যাচ্ছে, ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির অজিত পাওয়ারের কাঁধে দায়িত্ব বর্তাচ্ছে অর্থ দফতর। পাশাপাশি এনসিপির জয়ন্ত পাটিলকে সেচ দফতর, জিতেন্দ্র আওয়াদকে আবাসন দফতর দেওয়া হতে পারে। স্বরাষ্ট্র দফতরের দৌড়ে রয়েছেন এনসিপিরই নবাব মালিক।


আরও পড়ুন- চেয়ারম্যান পদে সাইরাসের পুনর্বহাল রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে TATA Sons


সূত্রের আরও খবর, পূর্ত এবং শুল্ক দফতর দেওয়া হতে পারে যথাক্রমে কংগ্রেসের অশোক চহ্বাণ এবং বালাসাহেব থোরাটকে। গত ২৮ নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন উদ্ধব ঠাকরে। সঙ্গে জোট সেনা, কংগ্রেস এবং এনসিপির মোট ৬ বিধায়কও শপথ নেন। তাঁরা হলেন, কংগ্রেসের বালাসাহেব থোরাট, নিতিন রাউত, শিব সেনার একনাথ শিন্ডে, সুভাষ দেশাই এবং এনসিপি-র জয়ন্ত পাটিল ও ছগন ভুজবল।



মহারাষ্ট্র বিধানসভার ফলাফল বেরনো ইস্তক শিবসেনা এবং বিজেপি ছিল জোটের অন্তরঙ্গ দুই শরিক। কিন্তু ফল বেরতেই বোঝা যায় সম্পর্কে আদতে কতটা দুধ কতটা জল রয়েছে। আধা মুখ্যমন্ত্রীর দাবি নিয়ে বেঁকে বসেন শিবসেনা সুপ্রিমো উদ্ধব। শরিকের প্রস্তাবে শিলমোহর দিতে অনড় বিজেপিও। এরপরই কংগ্রেস এবং এনসিপি-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে শিবসেনা সরকার গড়ার প্রস্তাব রাখে। সেখানেও নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাতারাতি এনসিপির অজিত পাওয়ারকে সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়ে নেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীস। এরপরই ওস্তাদের মার শেষ রাতের ভূমিকায় দেখা যায় মহারাষ্ট্রের ‘স্ট্রংম্যান’কে। নিজেদের বিধায়কদের একজোট করে সরকার গড়ার অগ্রণী ভূমিকা নেন শরদ পাওয়ার।