নিজস্ব প্রতিবেদন: মহারাষ্ট্রের পালঘরে ২ সাধু-সহ তিন জনকে পিটিয়ে মারার ঘটনায় ১০১ জনকে গ্রেফতার করল পুলিস। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ জানিয়েছেন, গ্রেফতার হওয়া ওইসব লোকজনের মধ্যে কোনও মুসলিম নেই। বিজেপি বিষয়টিকে সাম্প্রদায়িক রঙ দিতে চাইছে। গোটা ঘটনার সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

আরও পড়ুন-এক চিকিৎসক সহ ৬ জনের করোনার সংক্রমণের আশঙ্কা, RG করে কোয়ারেন্টাইনে ৯ চিকিৎসক


ফেসবুক লাইভে দেশমুখ বলেন, কিছু লোক মুঙ্গেরিলালের মতো স্বপ্ন দেখতে চাইছে। কিন্তু এখন সাম্প্রদায়িক রাজনীতির সময় নয়। একসঙ্গে করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার সময়। এখনও পর্যন্ত পালঘরের ঘটনায় ১০১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে একজনও মুসলিম নেই। তাই ওই ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রঙ দেওয়ার চেষ্টা করবেন না।


ঘটনাটি নিয়ে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি না করার ব্যপারে সতর্ক করেছেন উদ্ধব ঠাকরেও। এক টুইটে তিনি বলেন, যারা সাম্প্রদায়িক আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করছে তাদের সতর্ক হওয়া উচিত। ওই হামলার সঙ্গে হিন্দু-মুসলিম কোনও বিষয় নেই। ঘটনার পর ২ পুলিস কর্মীকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে।


আরও পড়ুন-সংক্রমণের আশঙ্কা, করোনা হাসপাতালগুলিতে বন্ধ হতে পারে মোবাইল ব্যবহার


উল্লেখ্য, মুম্বই থেকে ১২৫ কিলোমিটার দূরে পারঘরে ওই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে। ৭০ বছরের এক সাধু-সহ তিন জনকে পিটিয়ে মারে উন্মত্ত জনতা। মারধরের ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। পালঘরের জেলাশাসক জানিয়েছেন, শিশু চুরির গুজব থেকে ওই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে যায়।


প্রসঙ্গত গত সপ্তাহে একটি গাড়িতে চিকনা মহারাজ(৭০) ও সুশীলগিরি মহারাজ(৩৫) নামে দুই সাধু গাড়ি চেপে পালঘরে ঢোকেন। সেসম রটে যায় তারা শিশু চোর। এর পরেই তাদের ওপরে চড়াও হল এলাকার লোকজন। দুই সাধু ও তাদের গাড়ির চালককে পিটিয়ে মারা হয়। এর পরই ওই ঘটনা নিয়ে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি শুরু হয়ে যায়। শেষপর্যন্ত এনিয়ে বিবৃতি দিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।