অনুপ মুখোপাধ্যায়: দেহ পড়শি রাজ্যে, আর মুণ্ডু পড়ে রয়েছে এ রাজ্যে। মৃতদেহ উদ্ধার করবে কে? বাংলা ও ঝাড়খণ্ড পুলিসের মধ্যে শুরু হল টানাপোড়েন। সঙ্গে জিআরপি। ঘণ্টাতিনেক রেললাইনে পড়ে থাকল দেহ! ঘটনাস্থল, পুরুলিয়ার সুইসা স্টেশন।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

ঘটনাটি ঠিক কী? পুরুলিয়ার বাগমুন্ডি থানার সুইসা রেল স্টেশনটি ঝাড়খণ্ড সীমান্ত লাগোয়া। স্টেশনের কাছেই কারু রেলসেতু। এদিন সকালে দুর্ঘটনা ঘটে রেলসেতুতে। মালগাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারান এক ব্যক্তি। মৃতের পরিচয় জানা যায়নি এখনও। দুর্ঘটনার পর শরীর থেকে মাথাটি আলাদা হয়ে যায়! আর তাতেই ঘটে বিপত্তি।


আরও পড়ুন: Elephant Death: ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রামে ধান জমিতে মিলল হাতির মৃতদেহ, ঘটনাস্থলে বনকর্মীরা


কেন? সুইসা স্টেশন লাগোয়া  রেলসেতুর যে অংশটি এ রাজ্যের সীমানায়, সেই অংশে ছিটকে পড়ে মাথাটি, আর দেহটি ঝাড়খণ্ডের দিকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় স্থানীয় সুইসা ফাঁড়ি ও ঝাড়খণ্ডের তিরুলডি থানার পুলিশ ও জিআরপি। কিন্তু  রাজ্যের সীমানায় ঢুকতে রাজি হচ্ছিল না ঝাড়খণ্ড পুলিস। আবার ঝাড়খণ্ডের দিকে যেতে চাইছিল না এ রাজ্যের পুলিসও। দেহ উদ্ধার করা নিয়ে প্রায় ঘণ্টা তিনেক টানাপোড়েন চলে। শেষপর্যন্ত অবশ্য দেহটি উদ্ধার করে ঝাড়খণ্ডের তিরুলডি থানার পুলিশই।


এর আগে, উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরে স্টেশনে রেললাইনে দীর্ঘক্ষণ পড়েছিল এক ছাত্রীর দেহ। শুধু তাই নয়, দেহের উপর দিয়ে চলে গিয়েছিল একের পর এক ট্রেন! কীভাবে ঘটল এমন অমানবিক ঘটনা? রেলপুলিসের বিরুদ্ধে গাফলতির অভিযোগ তুলেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা ও নিত্যযাত্রীরা। মৃতের নাম সায়ন্তী দত্ত। বাড়ি, উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে। একাদশ শ্রেণিতে পড়ত সে। সেদিন দুপুরে বাড়িতে মোবাইল নিয়ে অশান্তি হয়। এরপর সোদপুর স্টেশনে চলে আসে সায়ন্তী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সোদপুর স্টেশনে বেশ কিছুক্ষণ বসেছিল ওই স্কুল পড়ুয়া। ঘড়িতে তখন ৪টে। বিকেলে চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে সায়ন্তী।  


(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App)