এই প্রথম ভোটে জয়ী হল অভিধানের শব্দ, অক্সফোর্ডে ঢুকল `ইচ্ছে হল এক ধরনের গঙ্গাফড়িং`...
অনেকেই ইদানীং এডিট না করা ছবি পোস্ট করছেন। নোংরা অপরিচ্ছন্ন ঘরের ছবি বা নিজের ল্যাদ খাওয়ার ছবি অর্থাৎ, যা ‘গবলিন মোড’-কে চিহ্নিত করে, তেমন ছবি দিচ্ছেন! এর মানে, দৃষ্টিভঙ্গি বদলাচ্ছে। সব মিলিয়ে নিজের ইচ্ছেকে প্রাধান্য দেওয়া, যা-ইচ্ছে-তাই করার স্বাধীনতা ঘোষণা করা।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বিরিয়েল' হতে চান? একটু আশ্চর্য লাগছে নিশ্চয়ই প্রশ্ন শুনে। হয়তো উত্তর শুনে আরও আশ্চর্য লাগবে। উত্তর হল-- মানুষ এখন ঝাঁ-চকচকে শব্দ বা সিন্থেটিক জীবনযাপনের পরিবর্তে সে ঠিক যেমন, তেমনটাই তুলে ধরতে চাইছে। তাই 'বিরিয়েল'(BeReal)! আর তার এই চাওয়াটার প্রতিফলন পড়ছে তার শব্দব্যবহারেও। সেসব দেখাও যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যবহৃত শব্দে। কিন্তু সে তো হতেই পারে। তবে সেই বদলটা যখন অক্সফোর্ড ডিকশনারিতেও প্রতিফলিত হয়, তখন বিষয়টা একটু আলাদা গুরুত্ব পেয়ে যায় বৈকি।
আরও পড়ুন: না মানে, না! সম্মতিহীন যেকোনও যৌন সম্পর্কই এবার থেকে 'ধর্ষণ'...
জনতার ভোটে ২০২২ সালের অক্সফোর্ড সেরা শব্দ নির্বাচিত হল-- 'গবলিন মোড'। এর অর্থ অনেকটা এ রকম-- সমাজের নিয়মকে বিশেষত সোশ্যাল মিডিয়াকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজের ইচ্ছেকে প্রশ্রয় দেওয়া। আলসেমি, অপরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি যা কিছু সমাজের চোখে সাধারণত বদভ্যাস সেই সবই নিজে আচরণ করা। এবং সেজন্য মনে কোনও খারাপ অনুভূতি না রাখা।
আরও পড়ুন: স্ত্রীর সংখ্যা ২০ পেরিয়েছে, বউয়ের তালিকায় নিজের মেয়েও! ধর্মগুরুর কাণ্ডে হতবাক গোয়েন্দারা...
শব্দবাছাইয়ের প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে উঠে এসেছিল তিনটি শব্দ। পরে ওই তিনটি শব্দের মধ্যে জনতার ভোটে সেরা নির্বাচিত হয় ‘গবলিন মোড’। ভোটাভুটিতে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে ‘মেটাভার্স’। তৃতীয় স্থানে ‘#আইস্ট্যান্ডউইথ’। ভোটের ৯৩ শতাংশই নিজের ঝুলিতে পুরতে পরেছে ‘গবলিন মোড’ শব্দটি। ৩,১৮,৯৫৬ জন শব্দটিকে সেরার মুকুট পরিয়েছে। মেটাভার্স পেয়েছে ১৪,৪৮৪ জনের ভোট, #আইস্ট্যান্ডইউথ পেয়েছে ৮,৬৩৯ ভোট।