চলে গেলেন যীশু দাশগুপ্ত

Update: December 21, 2012 10:38 IST

প্রয়াত হলেন বিশিষ্ট পরিচালক যীশু দাশগুপ্ত। শুক্রবার ভোর ছ`টা নাগাদ বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল তিপান্ন বছর। বেশকিছু দিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি।

ক্যামেরাম্যান হিসেবে কর্মজীবনের শুরু যীশু দাশগুপ্তর। পরে পরিচালনার কাজ হাত দেন তিনি। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে একাধিক সিরিয়াল পরিচালনা করেছেন যীশু। যার মধ্যে অন্যতম কুয়াশা যখন, তিথির অতিথি, দে-রে। ছোট পর্দার সঙ্গে সঙ্গে বড় পর্দাতেও ছবি পরিচালনার কাজ করেছেন তিনি।

একজন দক্ষ পরিচালকের পাশাপাশি প্রযোজনার কাজেও যুক্ত ছিলেন যীশু দাশগুপ্ত। এছাড়া আদালত ও একটি মেয়ে চলচ্চিত্রে অভিনেতা হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শিল্পীমহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Post Your Comment

Total Comments:3

amra jane take khub kacher thke....... une amer kaku chelan kajer jaiga ta ame jantam na.... kentu bare ta une amder bondhur moto che lan

ami ak jon sadharon camera man amar mato sadharon der jishu da ke dorkar chilo hayto r aram manus ke r amra pabo na. ami onar attar santy kamona kori.

EKJON PROTIVABAN, HRIDOYBAN, SAJJON MANUSHKE HARALAM. ONER THEKE ONEK KICHU PETAM,AMRA BONCHITO HOLAM.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।