বেঙ্গল লিডসকে যাত্রাপালের সঙ্গে তুলনা অধীরের

Update: January 16, 2013 20:10 IST

হলদিয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর শিল্প সম্মেলনকে যাত্রাপালার সঙ্গে তুলনা করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্যের কথায় তামাশা। তৃণমূল কংগ্রেস তাদের ওপর অত্যাচার বন্ধ না করলে প্রত্যাঘাতের হুমকি দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা।

হলদিয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর বেঙ্গল লিডসকে ঘিরে জমজমাট রাজনৈতিক মহল। তবে শুধু কটাক্ষ করাই নয়। চড়া সুরে হুমকি দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য।
তাদের অভিযোগ, প্রতিদিন তাদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকরা। কেন এতো আক্রমণাত্মক প্রদেশ নেতারা? পঞ্চায়েত ভোটের আগে কর্মীদের উজ্জীবিত করতেই কি এতোটা আক্রমণাত্মক পথে নেতারা? জল্পনা চলছে।

এদিকে বেঙ্গল লিডস কে কটাক্ষ করে বেঙ্গল ব্লিডস বা বাংলার রক্তক্ষরণ বললেন, সিটু নেতা শ্যামল চক্রবর্তী। একইসঙ্গে তার অভিযোগ, শিল্পপতিদের সামনে রাজ্যে নতুন দুটি বন্দর তৈরি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার যা বলেছেন, তা মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছু নয়।






Post Your Comment

Total Comments:5

UNER CHAL CHALON CIRCUSER JOCKERER MOTON KAU KONODIN DEKHECHEN, PUJI TANER SOMMELONE SILPOPOTIKE DIA GAN GAYAI? CHABLAMOR EK TA SIMA AACHE.

dada , apnar ki tepa tepi korar janna icha korche naki?

haa..se to dekhte pachhi..ato bachor dhore apni mp hochen..r apnar dol central te ache...apni ki janatar sange jatra korenni..nahole murshidabad atota pichiye keno?

Rightly said.

HAS ANYONE EVER HEARD MAMATA BANERJEE TO SAY THE TRUTH. HER POLITICAL LIFE IS BASED ON LIES AND INDISCIPLINE UNCONSTITUTIONAL ACTIVITIES.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।