বুধবার পরীক্ষা অগ্নি-৫-এর, অধীর বিজ্ঞানীমহল

Update: April 16, 2012 16:38 IST

আগামী বুধবার পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম `ভূমি থেকে ভূমি` ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫-এর পরীক্ষামূলক উত্‍‌ক্ষেপণ করতে পারে ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। ৫,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম এই মিসাইল`টি ওড়িশার বালাসোরের কাছে হুইলার দ্বীপের `ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ`(আইটিআর)-এর চতুর্থ `লঞ্চিং প্যাড` থেকে উত্‍‌ক্ষেপণ করা হতে পারে বলে ডিআরডিও-র তরফে ইঙ্গিত মিলেছে। উত্‍‌ক্ষেপণ সফল হলে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অগ্নি-৫ হবে ভারতের সবথেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র।

১৭ মিটার দৈর্ঘ্য, ২ মিটার প্রস্থ এবং ৫০ টন ওজনের এই `অন্তর্বতী পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র`টির সঙ্গে দু`টি অতিরিক্ত কম্পোসিট মোটর সংযুক্ত করার পরীক্ষাতেও প্রাথমিক সাফল্য পেয়েছেন ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীরা। এই পরীক্ষায় চূড়ান্ত সাফল্য এলে আমেরিকা, রাশিয়া ও চিনের পর বিশ্বের চতুর্থ রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকারী হবে নয়াদিল্লি।

১ টন ওজনের বিস্ফোরক বহনযোগ্য অগ্নি-সিরিজের এই নবতম সংস্করণে প্রয়োজনে পরমাণু অস্ত্রও ব্যবহার করা যায়। উচ্চ ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে চালিত অগ্নি-৫ ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র গবেষণার ইতিহাসে এক নতুন দিশার সূচনা করবে বলেই মনে করেছেন ডিআরডিও-র ক্ষেপণাস্ত্র বিভাগের বিজ্ঞানীরা। প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৫ নভেম্বর ওড়িশা উপকূলে সফলভাবে ৩,০০০ কিলোমিটার পাল্লার অগ্নি-৪ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছিল ডিআরডিও। সে সময় অগ্নি-৪-এর নিখুঁত `কন্ট্রোল অ্যান্ড গাইডেন্স সিস্টেম` চমত্‍কৃত করেছিল প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।