যুব ভারতকে সেলাম, পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি রাষ্ট্রপতির

Update: January 25, 2013 21:42 IST

দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ড `হৃদয় বিদারক` একইসঙ্গে `চাঞ্চল্যকর`। ৬৪তম গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেশবাদীকে ভাষণে এই মন্তব্যই করলেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী। ১২ ডিসেম্বরের পর এক মাস কেটে গিয়েছে। তবে প্রতিবাদ আর আন্দোলনের সেই স্মৃতি এখনও ম্লান হয়ে যায়নি দেশবাসীর মন থেকে। ফলে নৃশংস সেই গণধর্ষণের প্রসঙ্গ রাষ্ট্রপতির ভাষণে উঠে আসাটাই স্বাভাবিক। রাষ্ট্রপতি বলেন, "মহিলার সঙ্গে পাশবিকতা অর্থ সমাজের সঙ্গে পাশবিকতা।"

দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণীর স্মৃতির প্রতি গভীর শোঁক ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, "আমরা শুধু একটা তাজা জীবনকেই হারালাম না, আমরা একটা স্বপ্নও হারালাম।" টানা কয়েকদিন ধরে রাজধানীতে চলা আন্দোলনের সামনের সারিতে ছিল যুব সম্প্রদায়। আজ তাঁদেরও পাশে দাঁড়ালেন রাষ্ট্রপতি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "ওই ঘটনায় ভারতের যুব সমাজ যদি ক্ষুব্ধ হয়। তাতে আমরা কী তাঁদের দোষ দিতে পারি?"

এ দিনের ভাষণে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির বাড়বাড়ন্ত নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভারত যেকোনও মূল্যে পাকিস্তানকে বন্ধুত্বের হাত বারাতে প্রস্তুত। কিন্তু সেটিকে নিশ্চিত ধরে নেওয়া উচিত নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রণব বাবু।

সম্প্রতি পাক সেনার হাতে দুই ভারতীয় জওয়ানের মৃত্যুর প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ভারত-পাক সীমান্তে বেশ কিছু নৃশংসতার নজির দেখেছে ভারত। তিনি বলেন, "প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মতবিরোধ থাকতেই পারে। কিন্তু জঙ্গি সংগঠনগুলির মাধ্যমে সন্ত্রাসে মদত দেওয়া দু`দেশের পক্ষেই ক্ষতিকারক।"

Post Your Comment

Total Comments:1

R koto bondhutter hath barabo ? Ora brbr amadr akromon kr6e,r amra chup kre thakbo ? Eta kn jukti ? Pls r na ek2 bujhia daoar abokas din pls,,,jai hind,

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।