গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে পাহাড়জুড়ে চূড়ান্ত আন্দোলন, রোশন গিরির হুঙ্কার

গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে পাহাড়জুড়ে চূড়ান্ত আন্দোলন, রোশন গিরির হুঙ্কার

গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে পাহাড়জুড়ে চূড়ান্ত আন্দোলন, রোশন গিরির হুঙ্কারগতকালই হলদিয়ায় রাজ্যে শিল্পে নতুন জোয়ারের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। ঘোষণা করেছিলেন পর্যটন শিল্পে নতুন একগুচ্ছ প্রকল্পেরও। কিন্তু একদিনের মধ্যেই সেই পর্যটন শিল্পে কালো দিন ঘনিয়ে আসার ইঙ্গিত পাওয়া গেল। ভরা পর্যটন মরসুমে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে 'অন্তিম লড়াই'-এর ডাক দিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি।

আজ সাংবাদিক বৈঠক করে নিজেদের আন্দোলনের কথা ঘোষণা করলেন মোর্চা নেতা রোশন গিরি। রীতিমত হুমকির সুরে তিনি জানিয়ে দিলেন তেলেঙ্গানাকে পৃথক রাজ্যের মর্যাদা দিলে, সেই মর্যাদা দিতে হবে গোর্খাল্যান্ডকেও। এই সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি তাঁদের অন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচীর কথাও ঘোষণা করেন। জানিয়ে দিলেন গোর্খাল্যান্ডের দাবি এদেশের সবথেকে পুরানো দাবি। তাঁদের অন্দোলন কর্মসূচির কথা কেন্দ্রীয় সরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার শিন্ডেকেও জানিয়ে দিয়েছেন বলে আজকের সাংবাদিক সম্মলনে জানান গিরি।

রাজ্যে নতুন সরকার আসার পর মুখ্যমন্ত্রী দার্জিলিঙে গিয়ে মোর্চার নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। তৈরি হয়েছিল 'গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেসন'। মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে দাবিও করেছিলেন।

জিটিএ নিয়ে মোর্চা নেতৃত্ব যে মোটেও সন্তুষ্ট নন এর আগেও বেশ কয়েক বার তাঁদের বক্তব্য থেকে সেই ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী যতই দার্জিলিংকে বাংলার অভিন্ন অংশ বলে দাবি করুন না কেন, মোর্চা নেতারা পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবি থেকে কোনদিনই সরে আসেননি। এত দিন সেভাবে সোচ্চার না হলেও আজ নতুন করে পৃথক রাজ্যের ডাক দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন গোর্খাল্যান্ডের দাবি থেকে তাঁরা এক চুলও সরে আসতে নারাজ।

রাজ্যে অনান্য শিল্পের সঙ্গে যখন সরকারের তরফ থেকেই পর্যটন শিল্পে নতুন বিনিয়োগের কথা বলা হচ্ছে, তখন বাংলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্রে আশান্তির অশনি সংকেত রাজ্যের সামগ্রিক শিল্প পরিস্থিতিকে বড়সড় প্রশ্নের মুখে ফেলে দিল বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল।



 







First Published: Wednesday, January 16, 2013, 17:54


comments powered by Disqus