টাইব্রেকারে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ চারে ইতালি

Update: June 25, 2012 09:43 IST

ইউরো কাপের সেমিফাইনালে পৌঁছল ইতালি। কিয়েভে শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নেয় আজুরিরা। টাইব্রেকারে ইতালির পক্ষে খেলার ফল ৪-২। নির্ধারিত সময় তো বটেই অতিরিক্ত সময়েও কোনও গোল হয়নি। তবে ম্যাচের অধিকাংশ সময়ে প্রাধান্য ছিল ইউরোপীয় দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিশ্ব খেতাবের মালিক (৪টি) ইতালিরই। শেষপর্যন্ত ম্যাচের মীমাংসা হয় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারের শুরুতে অবশ্য অ্যাডভান্টেজ ছিল ইংল্যান্ডেরই। ইতালির মন্টেলিভো পেনাল্টি শট বাইরে মারেন। তবে সেই অ্যাডভান্টেজ ধরে রাখতে পারেননি রুনিরা। প্রথমে অ্যাসলে ইয়ং পোস্টে মারেন। পরে অ্যাসলে কোলের শট বাঁচান বুঁফো। দিয়ামান্টি গোল করে ইতালিকে সেমিফাইনালে জায়গা করে দেন। প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালের পর থেকে টাইব্রেকারে ৭ বারের মধ্যে ৬ বারই হারল ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে জার্মানির মুখোমুখি হবে ইতালি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।