ফের অনশনে রামদেব

Update: August 9, 2012 19:31 IST

কালো টাকা দেশে ফেরানোর দাবিতে দিল্লির রামলীলা ময়দানে ফের আন্দোলন শুরু করলেন যোগগুরু রামদেব। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রামলীলা ময়দানে মানুষের ভিড় রয়েছে চোখে পড়ার মত। আগামী ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত রামদেবের একশ অনুগামী রিলে অনশন করবেন বলেও জানা গেছে।

গতবছর এই একই দাবিতে রামলীলা ময়দানে এক অনশন অবস্থান শুরু করেছিলেন রামদেব। কিন্তু সেসময় পুলিস জোর করে সেই আন্দোলন ভেঙে দেয়। এর মধ্যে দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনে বেশ কয়েকবার একই মঞ্চে দেখা গিয়েছে আন্না হাজারে ও রামদেবকে। তবে আন্না হাজারের অনশন মঞ্চ সাড়া জাগিয়ে শুরু হয়ে সময়ের জনপ্রিয়তা হারালেও রামদেবের মঞ্চ এখনও চলছে রমরমিয়ে। এবার অবশ্য অপ্রীতিকর অবস্থা এড়াতে রামলীলা ময়দানে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিস।





Post Your Comment

Total Comments:1

This type of picture should not have been displayed. You Bengalis and your all kind of Media never gave weightage to none of these two Anna and Ramdev. What do you think about yourselves? You people in WB are not suffering from the corruptions? Then either you people are fool No.1 or want to avail these corruption business for personal benefits. Then nothing to say and GO TO HELL.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।