স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য স্বামীর আয়ের ২৫ শতাংশই যথেষ্ট!

ডিভোর্সি স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য কত টাকা দেবে স্বামী? এই প্রশ্নের উত্তরে একটি নির্দিষ্ট বেঞ্চমার্ক সেট করে দিল ভারতের শীর্ষ আদালত। স্বামীর মোট আয়ের ২৫ শতাংশই (পূর্বতন) স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য 'ন্যায্য এবং উপযুক্ত', সিদ্ধান্ত জানাল শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ কলকাতা হাইকোর্টের একটি রায়ের ওপর পর্যবেক্ষণ করে জানিয়েছে, "(পূর্বতন) স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য স্বামীর মোট আয়ের ২৫ শতাংশই ন্যায্য এবং উপযুক্ত হবে। যে পরিমাণ অর্থ ভরণপোষণের জন্য ধার্য করা হবে, তা অবশ্যই দুই পক্ষের সামাজিক অবস্থান এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতার ওপর পরিমাপ করেই ঠিক করা হবে।" 

Updated: Apr 21, 2017, 01:25 PM IST
স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য স্বামীর আয়ের ২৫ শতাংশই যথেষ্ট!

ওয়েব ডেস্ক: ডিভোর্সি স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য কত টাকা দেবে স্বামী? এই প্রশ্নের উত্তরে একটি নির্দিষ্ট বেঞ্চমার্ক সেট করে দিল ভারতের শীর্ষ আদালত। স্বামীর মোট আয়ের ২৫ শতাংশই (পূর্বতন) স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য 'ন্যায্য এবং উপযুক্ত', সিদ্ধান্ত জানাল শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ কলকাতা হাইকোর্টের একটি রায়ের ওপর পর্যবেক্ষণ করে জানিয়েছে, "(পূর্বতন) স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য স্বামীর মোট আয়ের ২৫ শতাংশই ন্যায্য এবং উপযুক্ত হবে। যে পরিমাণ অর্থ ভরণপোষণের জন্য ধার্য করা হবে, তা অবশ্যই দুই পক্ষের সামাজিক অবস্থান এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতার ওপর পরিমাপ করেই ঠিক করা হবে।" 

২০০৩ সাল থেকেই কোর্টে মমলা লড়ছেন দুই পক্ষ। প্রথমে জেলা আদালত, পরে মামলা ওঠে কলকাতা হাইকোর্টে। জেলা আদালত স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য প্রতি সপ্তাহে ৪,৫০০ টাকা করে দেওয়ার নির্দেশ দিলেও, ২০১৫ সালে হাইকোর্ট স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য স্বামীকে মাসিক ১৬,০০০ টাকা করে দেওয়ারই সিদ্ধান্ত জানায়। সেই সময় পর্যন্ত স্বামীর আয় ছিল ৬৩,৮৪২ টাকা। ২০১৭'তে স্বামীর আয় বেড়ে হয় ৯৫,৫২৭ টাকা। এখন স্ত্রীর দাবি আয় বেড়েছে স্বামীর, তাই বাড়িয়ে দিতে ভরণপোষণের অর্থও। সেইমত ২৩,০০০ টাকা ভরণপোষণের দাবি করেন তিনি। তবে যেহেতু  স্বামী আরেকটি বিবাহ করেছেন এবং তাকে সন্তান প্রতিপালন করতে হয়, সেটা বিবেচনা করে শীর্ষ আদালত সিদ্ধান্ত নেয় ২৩,০০০ টাকা নয়, ২০,০০০ টাকাই ভরণপোষণের খরচ হিসেবে 'ন্যায্য এবং উপযুক্ত' হবে। (পূর্বতন) স্ত্রীর ভরণপোষণের খরচ ৩০০০ টাকা কমিয়ে দিয়ে, ভারতের শীর্ষ আদালত এই সিদ্ধান্তেই উপনীত হয় যে, স্বামীর আয়ের ২৫ শতাংশই (পূর্বতন) স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য যথেষ্ট হবে।