তেহলকা কাণ্ড: মানসিক চাপ সৃষ্টির অভিযোগ আনলেন নির্যাতিতা সাংবাদিক

Last Updated: Saturday, November 23, 2013 - 22:27

তাঁর ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। আগামিদিনে সেই চাপ আরও বাড়বে। তরুণ তেজপাল কাণ্ডে এমনই অভিযোগ করলেন নির্যাতিতা সাংবাদিক। ধর্ষণের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে আজই দিল্লি পৌঁছয় গোয়া পুলিসের তদন্তকারী দল। তেহেলকা অফিসে হানা দিয়ে  সংস্থার ম্যানেজিং এডিটর সোমা চৌধুরীকে জেরা করেন তাঁরা। অভিযুক্ত তেজপালকেও জেরা করবেন গোয়েন্দারা।
সহকর্মীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ। স্টিং অপারেশনের কিং-এর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে  তোলপাড় গোটা দেশ। ঘটনা সামনে আসতেই তদন্তের নির্দেশ দেয় গোয়া সরকার। আর সেই তদন্তে গোয়া পুলিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছে দিল্লি পুলিসও। গোয়া পুলিসের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পারিক্কর? সুকৌশলে সেই জবাব এড়িয়ে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
 
শনিবারই তহেলকার দিল্লি দফতরে পৌঁছে যায় গোয়া এবং দিল্লি পুলিসের যৌথ দল।
 
বিকেলে জেরা করা হয় তহেলকার ম্যানেজিং এডিটর সোমা চৌধুরীকে। তেহেলকার কাছ থেকে ল্যাপটপ, আইপ্যাড এবং হার্ড ডিস্কের কপি চেয়েছেন তদন্তকারী অফিসারেরা। ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর নিজস্ব তদন্ত কমিটি গড়েছিল তহেলকা। তারপরও অবশ্য কার্যত তেজপালকে আড়াল করার চেষ্টাই চালিয়ে গিয়েছেন সোমা চৌধুরী। শনিবার অবশ্য চাপে পড়ে বলেছেন, তদন্তে পুলিসকে সবরকম সহযোগিতা করবেন তিনি।
 
কিন্তু যাঁকে ঘিরে এত বিতর্ক সেই তরুণ তেজপাল ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করে ছ-মাসের ছুটিতে চলে গিয়েছেন। সেখানেই উঠেছে প্রশ্ন। নিজের শাস্তি কি নিজেই ঠিক করবেন তরুণ তেজপাল? পুলিসে এখনও অভিযোগ জানাননি নিগৃহীতা মহিলা। জাতীয় মহিলা কমিশন অবশ্য বলছে, এটা কোনও সমস্যাই নয়।
 
তবে, হোটেলের সিসটিভি ফুটেজ এনেও তেমন কোনও লাভ হয়নি পুলিসের। কারণ লিফটের ভিতরে কোনও সিসিটিভি ক্যামেরাই নেই। তেজপালের পরিবারের সদস্যরা শনিবার নির্যাতিতা মহিলার সঙ্গে দেখা করেন। নিগৃহীতার অভিযোগ, তাঁর ওপর মানসিক চাপ দেওয়া হচ্ছে।   
 



First Published: Saturday, November 23, 2013 - 22:23


comments powered by Disqus