মুম্বই `মিরর` ভেঙে দু`নম্বরে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল

মুম্বই `মিরর` ভেঙে দু`নম্বরে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল

মুম্বই `মিরর` ভেঙে দু`নম্বরে উঠে এল ইস্টবেঙ্গলইস্টবেঙ্গল (২) মুম্বই এফসি (০)।। ডেম্পো (০) শিলং লাজং (০)।। চার্চিল ব্রাদার্স (২) ইউনাইটেড সিকিম (১)

জয়ের রাস্তায় ফিরল ইস্টবেঙ্গল। রবিবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে মুম্বই এফসিকে ২-০ গোলে হারিয়ে আই লিগের পয়েন্ট তালিকায় দু নম্বরে উঠে এল ট্রেভর জেমস মরগ্যানের দল। আজকের জয় ছাড়াও ইস্টবেঙ্গলকে খেতাবি লড়াইয়ে ফেরালো ডেম্পো- শিলং লাজং এফসি অপ্রত্যাশিত ড্র ম্যাচটা।

শীর্ষে থাকা চার্চিল ব্রাদার্সের চেয়ে দুটো ম্যাচ বেশি খেলে লিগ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল। তবে চার্চিল ব্রাদার্স জিতে যাওয়ায় অস্বস্তিটা থেকেই গেল। আই লিগে পয়েন্ট তালিকায় এখন ১৩ ম্যাচ খেলে চার্চিল ব্রাদার্সের পয়েন্ট ৩১, দুইয়ে ইস্টবেঙ্গল (১৫ ম্যাচ খেলে ৩০), তিনে পুণে এফসি (১৩ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট), চারে ডেম্পো (১৪ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট)।

কল্যাণীর ম্যাচের কথায় ফিরলে একটা কথা বলতেই হয় হেরে গেলে ইস্টবেঙ্গল খোঁচা খাওয়া বাঘ সেটা প্রমাণ করার একটা তাগিদ ছিল। এই ম্যাচটা মরগ্যানের দলের কাছে দুটো বিষয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ১) ওএনজিসির বিরুদ্ধে হারের পর এদিনের ম্যাচে জিততে না পারলে পয়েন্ট তালিকায় কার্যত তলিয়ে যেতেন পেন-মেহেতবরা। ২) প্রথম লেগে বলিউড শহরের এই ফুটবল দলের কাছে হারের প্রতিশোধ নেওয়ার ব্যাপরটা ছিল। দুটোই সব ঠিকঠাক হল। সঙ্গে আগামী দুটো কঠিন ম্যাচে খেলতে নামার আগে ছন্দটাও খুঁজে পেল মরগ্যানের দল (ইস্টবেঙ্গলের পরের দুটো ম্যাচ শীর্ষে থাকা চার্চিল ব্রাদার্স, দুইয়ে থাকা পুণে এফসির বিরুদ্ধে)।

চলতি আই লিগে মুম্বই এফসি সাফল্যের পিছনে দলের`মিরর`-এর বড় ভূমিকা আছে। যাকে অনেকেই বলে মুম্বই মিরর। সেই `মিরর`মানে ডিফেন্সের দেওয়াল ভাঙতে ব্যর্থ হয়েছিল ডেম্পোও। প্রথম লেগে ওই মুম্বই মিরর-এ আটকে গিয়েই হারতে হয়েছিল চিডিদের।
ম্যাচের ১১ মিনিটেই চিড্ডির গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধে বাঁ পায়ের দুরন্ত শটে ইস্টবেঙ্গলের লিড দ্বিগুণ করেন ডিকা। গোল করলেও একাধিক ওপেন নেট নষ্ট করেন আই লিগে ইস্টবেঙ্গলের সর্বোচ্চ গোলদাতা এডে চিড্ডি।খেলার শেষ পর্বে পেনাল্টিও নষ্ট করেন নাইজেরীয় গোলমেশিন। ফলে কার্যত পাঁচ গোলে জেতা ম্যাচ দু গোলে জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় মরগ্যানের দলকে।
আই লিগে কে কোথায় (প্রথম পাঁচ)--
১) চার্চিল ব্রাদার্স ( ১৩ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট)
২) ইস্টবেঙ্গল (১৫ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট)
৩) পুণে এফসি (১৩ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট)
৪) ডেম্পো (১৪ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট)
৫) প্রয়াগ ইউনাইটেড (১৫ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট)






First Published: Sunday, January 13, 2013, 23:18


comments powered by Disqus