ম্যাড়ম্যাড়ে ডার্বিতে মাঠও ফাঁকা, গোলও নেই

আই লিগের হাই প্রোফাইল ডার্বি মনে দাগ কাটতে পারলো না ফুটবলপ্রেমীদের। অমীমাংসিত ভাবে শেষ হল আই লিগের দ্বিতীয় ডার্বি। গোটা ম্যাচে কয়েকটি ফ্রি কিক ছাড়া কোনও দলের খেলায় পজিটিভ মুভ দেখা যায়নি। সেই সঙ্গে ছিল ভুল পাস এবং উদ্দেশ্যহীন দৌড়। তবে গত নয়ই ডিসেম্বরের ডার্বি থেকে শিক্ষা নিয়ে আজ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনকে নিরাপত্তার বেড়াজালে মুড়ে ফেলা হয়েছে। সমস্ত অপ্রীতিকর ঘটনা আটকাতে সবরকম ব্যবস্থা রেখেছিল প্রশাসন।

Updated: Feb 9, 2013, 08:10 PM IST

মোহনবাগান (০) ইস্টবেঙ্গল (০)
আই লিগের হাই প্রোফাইল ডার্বি মনে দাগ কাটতে পারলো না ফুটবলপ্রেমীদের। অমীমাংসিত ভাবে শেষ হল আই লিগের দ্বিতীয় ডার্বি। গোটা ম্যাচে কয়েকটি ফ্রি কিক ছাড়া কোনও দলের খেলায় পজিটিভ মুভ দেখা যায়নি। সেই সঙ্গে ছিল ভুল পাস এবং উদ্দেশ্যহীন দৌড়। তবে গত নয়ই ডিসেম্বরের ডার্বি থেকে শিক্ষা নিয়ে আজ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনকে নিরাপত্তার বেড়াজালে মুড়ে ফেলা হয়েছে। সমস্ত অপ্রীতিকর ঘটনা আটকাতে সবরকম ব্যবস্থা রেখেছিল প্রশাসন।
আই লিগের দ্বিতীয় ডার্বি। হাইপ্রোফাইল এই ম্যাচ থেকে কি পেল বাংলার ফুটবল? নব্বই মিনিট ম্যাচের নির্যাস হল ফলাফল গোলশূন্য, একগুচ্ছ ভুল পাস আর ছিল না কোনও পজিটিভ মুভমেন্ট। যার ফলে উন্মাদনা ভরা ডার্বি মনে দাগ কাটতে পারলো না বাংলার ফুটবলপ্রেমীদের। অমীমাংসিত ম্যাচে প্রাপ্তি কয়েকটি ফ্রি কিক। শুধুমাত্র দাগ কেটেছে প্রথমার্ধে ওডাফার ফ্রি কিকটি। যেটি বারে লেগে প্রতিহত হয়। তা ছাড়া পুরো নব্বই মিনিট দুদলই, সমর্থকদের উপহার দিল ছন্দহীন ফুটবল।
স্ট্র্যটেজিগত লড়াইয়ে করিম এবং মরগ্যান কেউই মাঠে ছাপ ফেলতে পারেনি। যেমন মাঝমাঠে জমাট বাঁধতে পারেননি পেন-মেহতাব, ঠিক তেমনই মোহনবাগানের আক্রমণভাগে ব্যর্থ টোলগে-ওডাফা। চিড্ডি এককভাবে কিছুটা চেষ্টা করলেও ফাটল ধরাতে পারেননি মোহনবাগানের রক্ষণভাগে। তবে দুদলের গোলরক্ষকই এদিন ছিলেন আত্মবিশ্বাসী। সব মিলিয়ে আই লিগের ফিরতি ডার্বিতে দুদলের পারফরম্যান্সে হতাশ সমর্থকরা। ন্যুনতম দুশো টাকার টিকিট কিনে প্রিয় দলের পারফরম্যান্সে ফুটবল খিদে মিটল না ফুটবলপ্রেমীদের। এই ডার্বির শেষে ২০ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট পেয়ে তালিকায় শীর্ষে ইস্টবেঙ্গল। পনেরো ম্যাচে ছয় পয়েন্ট অবনমনের আশঙ্কায় থেকে গেল মোহনবাগান।