অবসর ঘোষণা করে সচিনের পাশে মহেশ

Update: December 2, 2012 19:26 IST

অবসর নিচ্ছেন ভারতীয় টেনিস তারকা মহেশ ভূপতি। ২০১৩ সালের পরই টেনিসকে বিদায় জানাতে চলেছেন চ্যাম্পিয়ন এই টেনিস তারকা। নিজের কেরিয়ারে ইতিমধ্যেই ১২টি গ্র্যান্ডস্লাম জেতা হয়ে গেছে তাঁর। বর্ণময় টেনিস কেরিয়ারকে বিদায় জানাতে চলেছেন ভারতীয় টেনিস তারকা মহেশ ভূপতি। কলকাতায় এসে মহেশ জানান, ২০১৩ সালের পর তিনি অবসর নেবেন। তবে টেনিসকে বিদায় জানানোর আগে আরও একটা গ্র্যান্ডস্লাম জেতার ইচ্ছে রয়েছে ১২টি গ্র্যান্ডস্লামের মালিক ভূপতির।
 
৩৮ বছর বয়সেও টেনিস কোর্ট দাপিয়ে বেড়ানো ভূপতি পাশে দাঁড়াচ্ছেন অফ ফর্মে থাকা সচিন তেন্ডুলকরের। নিজের অ্যাকাডেমিতে দাঁড়িয়ে মহেশ জানান,সচিনের অবসরের বিষয়টি তাঁর ওপরেই ছেড়ে দেওয়া উচিত। নতুন মরসুমে রোহন বোপান্নার পরিবর্তে ড্যানিয়েল নেস্টরের সঙ্গে জুটি বাঁধতে দেখা যাবে মহেশ ভূপতিকে।ডাবলসে বিশ্বের প্রাক্তন এক নম্বরের সঙ্গে জুটি বেঁধে খেলার জন্য মুখিয়ে আছেন ভারতের এই চ্যাম্পিয়ন টেনিস তারকা।

এটিপি ওয়ার্লড ট্যুর ফাইনালে হারের পর বোপান্না সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর ভূপতির সঙ্গে জুটি না বাঁধার। পরের টেনিস মরসুম থেকে দুজনে আর একসঙ্গে খেলবেন না। লিয়েন্ডার পেজ-মহেশ ভূপতি জুটি ভেঙে যাওয়ার পর মহেশ ভূপতি-রোহন বোপান্না জুটি একটা উচ্চতা পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিল ভারতীয় টেনিসকে। এটিপি ওয়ার্ল্ড ট্যুরের ফাইনালে হেরে যাওয়ার পর দুজনে আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলায় আরও একটি স্বর্গ পতন হয়ে যায় নীরবেই।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।