`জামাই` শোয়েবের হাতেই উত্তপ্ত যুদ্ধে হার ভারতের

Last Updated: Tuesday, December 25, 2012 - 23:25

ভারত: ১৩৩, পাকিস্তান:১৩৪/৫
হারের ঠিকানাটা দারুণভাবে চিনে রেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ইংল্যান্ড সিরিজের হারের রেশ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজেও রয়ে গেল। সীমান্ত যুদ্ধে শুরুটা মহেন্দ্র সিং ধোনির দল করল হার দিয়ে। পাঁচ বছর পর ভারতের মাটিতে খেলতে নেমে মাতিয়ে দিল পাকিস্তান। সিরিজের প্রথম টি-২০ ম্যাচ বেঙ্গালুরুতে ভারতকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দিল পাকিস্তান। আর ধোনিদের এই হারের পিছনে বড় ভুমিকা নিলেন দেশের `জামাই` শোয়েব মালিক। সানিয়া মির্জার জীবনসঙ্গি শোয়েব মালিকের দুরন্ত অপরাজিত ৫৭ আর ম্যাচের সেরা অধিনায়ক মহম্মদ হাফিজের ৬১ রান পাকিস্তানকে জিতিয়ে আনল। ম্যাচের শেষ ওভারে পাকিস্তানকে জিততে হলে করতে হত ১০ রান। রবীন্দ্র জাদেজার সেই শেষ ওভারের চতুর্থ বলে ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দেশকে জয়ের সীমানায় নিয়ে যান মালিক। এই নিয়ে ঘরের মাঠে পরপর দুটি টি-২০ ম্যাচে হারল ভারত।
শীতে কাবু বেঙ্গালুরুকে উত্তপ্ত করতে হাজির ছিল ইশান্ত শর্মা বনাম কামরন আকমলের বাদানুবাদ। ম্যাচের ফলাফল ছাপিয়ে ইশান্তের সঙ্গে পাক ক্রিকেটারদের উত্তপ্ত বাদানুবাদটাই বড় হয়ে দেখা দিল। বেঙ্গালুরুতে আজকের ম্যাচে সব কিছুই ছিল। ভারতের ইনিংস ছিল দারুণ শুরু করে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়া। আর পাকিস্তানের ইনিংস ছিল খারাপ শুরু করে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন ঘটানো। জয়ের জন্য ১৩৩ রান তাড়া করতে নেমে একটা সময় দারুণ চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। মাত্র ১‍২ রানের মধ্যেই তিন উইকেট হারিয়ে ফেলে ওয়াঘার ওপারের প্রতিবেশীরা। পাকিস্তানের ইনিংসে শুরুর ধাক্কাটা দেন ভুবনেশ্বর কুমার। পরপর দুটি উইকেট তুলে নেন। অশোক দিন্দাও একটি উইকেট পান। কিন্তু তারপরই মহম্মদ হাফিজ-শোয়েব মালিকের দারুণ একটা প্রত্যাবর্তনের ইনিংস ধোনির সব পরিকল্পনা ভেস্তে দিল।
অবশ্য গুরুত্বপূর্ণ শেষ ওভারে কেন রবীন্দ্র জাদেজাকে বল হাতে তুলে দিলেন, কেনই বা দলে কোনও স্পেশালিস্ট স্পিনার নেওয়া হল না এসব প্রশ্ন উঠলেই মনে হবে ধোনির কোনও পরিকল্পনা ছিল! ১৮ তম ওভারে দিন্দা মাত্র চার রান দিয়ে জমিয়ে দিয়েছিলেন কিন্তু শেষরক্ষা হল না। কুড়ির ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত দুনিয়ায় আটজন ব্যাটসম্যান নিয়ে দল সাজানোটাই কাল হয়ে দেখা দিল। আর হ্যাঁ সঙ্গে অবশ্য দলের ব্যাটসম্যানদের মনোভাব। দেখে মনেই হয় না জেতার জন্য খেলতে নেমেছেন। আচ্ছা এ দেশেই আইপিএল হয় না! আইপিএলেই প্রচুর ছয় চার মারা হয় না! এটাও তো সেই টি-২০। তাহলে ব্যর্থতা কেন? উত্তর জানা নেই। হয়তো কোনওদিন জানাও যাবে না।
 



First Published: Tuesday, December 25, 2012 - 23:29
comments powered by Disqus