ক্রিমি রাইস পুডিং

আগের দিনের থেকে যাওয়া বাসি ভাত নিয়ে প্রায়শই সমস্যায় পড়তে হয় আমাদের। পান্তাভাত, ভাত ভাজাতো অনেক হল। এবার নাহয় বাসি ভাত দিয়ে একটু মিষ্টিমুখ হয়ে যাক। ক্রিমি রাইস পুডিং বানাতে সময় লাগে খুব কম। ভাত থাকে বলে শুধু রাই পুডিংই হতে পারে দুপুরের বা রাতের খাবার।

বাসি মুরগির মুলুকতানি

মাংস কয়েক দিনের বাসি হয়ে গেলেই আর মুখে রোচে না। কিন্তু রান্না করা মাংসটা আর একবার খুন্তিনাড়া করেলেই তার সাধ ফেরানো যায়। তাই বাসি মাংস ফেলে দেওয়ার চিন্তা না করে কষিয়ে রাঁধুন, আর জমিয়ে খান `বাসি মুরগির মুলুকতানি`।

বেসামাল বেশামেল

বাসি ভাতকে বাঙালিরা বহুদিন আগেই ডেলিকেসির পর্যায়ে নিয়ে গেছে। গরমের দূপুরে লেবু, লঙ্কা দিয়ে পান্তা ভাত, তেঁতুল জল দিয়ে টক ভাত বা শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিয়ে ঝাল ঝাল বাসি ভাত, সঙ্গে ডাল সিদ্ধ।

ছানালু

ফ্রিজে জমে আছে কয়েকদিনের বাসি পাউরুটি। বরফ মেশিনের কল্যাণে জমে বেশ কঠিন। ফেলে দেবেন? তা কেন? অল্প জলে ভিজিয়ে নিয়ে একটু নরম করে নিন।

ঝিঙে খোসা বাটা

না দাদা (এবং দিদিরাও) আমরা বাঙালরা জিনিস নষ্ট করার একেবারেই পক্ষপাতি নই।

ব্রেড পকোরা

বর্ষার সন্ধ্যা। ড্রয়িং রুমে জমিয়ে আড্ডা। ফ্রিজে কটা বাসি পাউরুটি। মিনিট কয়েকের কসরতে বানিয়ে ফেলুন ব্রেড পকোরা। মশলাদার ব্রেড পকোরার তুলনা মেলা ভার। চায়ের সঙ্গে সাজিয়ে দিলে অতিথি আর না করতে পারবে না।

চাপাটি নুডলস

বাড়িতে বানানো গরম ফুলকো রুটির তুলনাই হয় না। কিন্তু বাসি হয়ে গেলেই সেই রুটিই পড়ে থাকে হেলায়। সকালে বানানো রুটিও বিকেলে খেতে চায় না কেউই। তবে এবার থেকে সকালের রুটি থেকে গেলেও চিন্তার কিছু নেই। ফেলে না দিয়ে তাই দিয়েই বিকেলে বানিয়ে ফেলুন চাপাটি নুডলস। চাইনিজ ফ্লেভারের চাপাটি নুডলস বানানো যেরকম সহজ, ঠিক সেরকমই সহজপাচ্যও।

কাঁটা চচ্চড়ি

বাঙালির রসনায় মাছের স্থান নিয়ে আলোচনা বাতুলতা প্রায়। ইলিশ থেকে শুঁটকি পর্যন্ত যে বাঙালির ব্যপ্তি, সেই বাঙালি যে মাছের কাঁটাকেও তার হেঁসেলে উচ্চাসনে বসাবে সেটা তো বলাই বাহুল্য। বাড়িতে যে কোনও বড় মাছের কাঁটার জোগান তো সব সময়েই থাকে। নিদেনপক্ষে একরকমের না হলেও ভিন্ন রকমের মাছের কাঁটা পাওয়াটা মোটেও কঠিন নয়। অতএব না জানিয়ে ভরদুপুরে বাড়িতে অথিতির হঠাৎ আগমন ঘটলে চটজলদি বানিয়েই ফেলা যায় কাঁটা চচ্চড়ি। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করলে অন্যরকম মেনুর স্বাদে অথিতি খুশ। সঙ্গে রাঁধুনীর রান্নার হাতযশের নিশ্চিত প্রশংসাটুকু উপরি পাওনা।

ছোলে টিক্কি চাট

আগের দিনের থেকে যাওয়া বাসি খাবার নিয়ে প্রায়শই সমস্যায় পড়তে হয় আমাদের। বাসি হয়ে গেলে খেতেও ইচ্ছা করে না আবার নষ্ট করতেও মন চায় না। তাই অনেক সময়ই ইচ্ছা না থাকলেও ফেলে দিতে হয় সাধ করে রান্না করা খাবার। কিন্তু সেই বাসি খাবার থেকেই যদি আবার তৈরি করে ফেলা যায় নতুন কোনও সুস্বাদু খাবার? সেরকমই একটি রেসিপি ছোলে টিক্কি চাট। ছোলে মশালা সাধারণত মশলাদার রান্না হওয়ার জন্য বাসি হলে খেতে চান না অনেকেই। সেই বাসি ছোলে মশালা দিয়েই বানিয়ে ফেলা যায় সুস্বাদু চাট। সন্ধে বেলা বাড়িতে হঠাত্ অতিথি এসে পড়লে চটজলদি বানিয়ে ফেলতে পারেন ছোলে টিক্কি চাট।

বাসি মাংসের স্যান্ডউইচ

শীতের বিকেলে হঠাত্ বাড়িতে অতিথির আগমন? এদিকে ফ্রিজে ৩দিনের বাসি ছাঁট মাংসের ঝোল ছাড়া কিছুই নেই? ঘাবড়াবেন না। বাসি মাংস দিয়েই চটজলদি স্যান্ডউইচ বানিয়ে চমকে দিন অতিথিকে। সঙ্গে গরম কফি। জমে যাবে সন্ধেটা।

কাঁচকলা খোসার চাটনি

বাঙালি হেঁসেলের কিছুই যায় না ফেলা। কাঁচকলা দিয়ে শুক্তো তো বাঙালি হেঁসেলের জগত বিখ্যাত রেসিপি। রান্নার পর হেলায় পড়ে থাকে সজীব খোসাগুলি। সেগুলোই বা ফেলবেন কেন? খোসা দিয়ে বানিয়ে ফেলুন চাটনি। বানিয়ে তক্ষুণিও খেতে পারেন বা বোতলে ভরে রেখেও দিতে পারেন।