কেদারভূমিতে জ্বলে উঠল গণচিতা

আবহাওয়ার সামান্য উন্নতির সঙ্গে প্রাকৃতিক রোষে প্রাণ হারানো দেহগুলির পঞ্চত্তর কাজ শুরু হল কেদারধামে। বিপর্যয়ের ১১ দিন পরেও দেবভূমিতে উদ্ধারের অপেক্ষায় ৩,৫০০। বদ্রীনাথ ও হারশিল সেক্টর থেকে আকাশ ও সড়ক পথে ১,০০০ জন পূণ্যার্থীকে নিচে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। বায়ুসেনার চপার দূর্ঘটনার পর উদ্ধারকার্যে নিযুক্ত সেনাকর্মীদের মনবল ফেরানো একটা বড় চ্যালেঞ্জ। ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান ন্যাক ব্রাউন বুধবার সেই কাজটাই করার চেষ্টা করেন। প্রশাসনিক আধিকারিক রবিনাথ রমন সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, "খারাপ আবহাওয়ার জন্য গণদাহ কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল, কিন্তু পরে কেদারনাথে তা শুরু হয়েছে।" তবে এই গণচিতায় দাহ হওয়া দেহের সংখ্যা ঠিক কত, তা হলফ করে কেউই বলতে পারেননি।

মোদীর কেদারভূমি পুনর্গঠনের প্রস্তাব খারিজ করল উত্তরাখণ্ড

বন্যা বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ডে `সুপারম্যান` হয়ে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী। পাহাড়ে আটকে পড়া গুজরাতের পর্যটকদের উড়িয়ে নিয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এই উদ্ধারকার্যের জন্য `ছিঃ ছিঃ` কুড়িয়েছেন মোদী। প্রাদেশিকতার অভিযোগ ওঠে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। রাজনীতির দর কষাকষি এবার নতুন দোরগোড়ায়। ১৬ই জুনের হড়াকা বানে প্রায় অক্ষত কেদারনাথ মন্দিরের সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন মোদী। প্রতিবেশী রাজ্যের এই প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে উত্তরাখণ্ড সরকার। দেবভূমির সংস্কারের খরচা উত্তরাখণ্ড সরকারই করবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বহুগুনা।