মৃৎশিল্প আজ ফের মানুষের দরবারে মৃৎশিল্প আজ ফের মানুষের দরবারে

প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া মৃত্শিল্প আজ ফের মানুষের দরবারে। রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় মুর্শিদাবাদের কাঁঠালিয়ার পুতুল পেয়েছে তার নিজস্ব পরিচিতি। মাটির জিনিস তৈরির জন্য এখন আর হাতে চালানো যন্ত্রের ওপর ভরসা করতে হয় না। কাঁঠালিয়ার মৃৎশিল্পীরা সরকারের সহযোগিতায় পেয়েছে মেশিন। তাতে জিনিস সংখ্যা বাড়ে, সময় লাগে কম। বিশাল ওজনের চাকা হাতে ঘোরাতে যা পরিশ্রম করতে হত তাও আর করতে হয় না। এই সুবিধার ফলে তাদের শিল্প আবার নতুন করে পরিচতি পাচ্ছে। শুধু কী দেশ..বিদেশেও পরিচিতি পাচ্ছে কাঁঠালিয়ায় তৈরি মাটির ভাঁড়, পুতুল। হয়েছে নিজস্ব সমবায় সমিতি, স্বাস্থ্যবীমা।  খুশি মৃত্শিল্পীরা।

পরিবহণ ব্যবস্থায় এগিয়ে রাজ্য পরিবহণ ব্যবস্থায় এগিয়ে রাজ্য

পরিসংখ্যানের নিরিখে পরিবহণ ব্যবস্থায় এগিয়ে রাজ্য। বাস পরিষেবার পাশাপাশি চালু হয়েছে নতুন বাস রুটও। ২০০৭ থেকে ২০১১য় যা ছিল ৭৩০টি, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৮৭। কলকাতার রাস্তায় এখন চলে প্রায় ১৫০০টি এসি বাস। আরও বাস নামনোর চিন্তা রয়েছে সরকারের। ট্যাক্সি ড্রাইভারদের প্রত্যাখানে নাজেহাল হতে হতো যাত্রীদের। তাদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে রাস্তায় নেমেছে কয়েক হাজার নো রিফিউজাল ট্যাক্সি। বাস পরিষেবার সঙ্গে রাজ্য পেয়ছে হেলিকপ্টার পরিষেবা। নতুন বিমানবন্দরের নতুন পালকও যুক্ত হয়েছে রাজ্যের মুকুটে। বাগডোগরা বিমানবন্দরে যাতে রাতেও বিমান নামানো যায় সেই ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।