বর্ধমানের খণ্ডঘোষে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের বলি ৩, আটক ১০

বর্ধমানের খণ্ডঘোষে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের বলি ৩, আটক ১০

বর্ধমানের খণ্ডঘোষে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে তিনজনের মৃত্যু। খণ্ডঘোষের ওঁয়াড়ি গ্রামে রাতভর চলে বোমা গুলির লড়াই। চরমে ওঠে দুই নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন ও অলক মাজি গোষ্ঠীর  মধ্যে লড়াই। মোয়াজ্জেম হোসেন তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি । অলক মাজি বর্তমান ব্লক সভাপতি। এলাকা দখল নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই লড়াই চলছিল দুই গোষ্ঠীর। মৃতেরা হলেন শেখ জয়নাল উদ্দিন, শেখ শওকত এবং লায়েক আয়নাল। এরা সকলেই অলক মাজি গোষ্ঠীর লোক বলে জানা গিয়েছে। এদের মধ্যে লায়েক আয়েনাল উজ্জ্বলপুকুর গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনায় ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে দশজনকে।  

মেয়ের শবদাহ করবেন বাবা, রাজি হলেন সরকারের ক্ষতিপূরণে  মেয়ের শবদাহ করবেন বাবা, রাজি হলেন সরকারের ক্ষতিপূরণে

অবশেষে কাটল ৪ দিনের অচলঅবস্থা। ১৬ বছরের মেয়ের শবদাহের জন্য রাজি হলেন নির্যাতিতার বাবা। মেনে নিলেন পাঞ্জাব সরকারের প্রস্তাব। মেয়ের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণে রাজি হলেন নির্যাতিতার বাবা। সরকারের তরফে নির্যাতিতার পরিবারকে সরকারি চাকরি দেওয়ার যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, সেটিতেও রাজি হলেন তিনি। পাঞ্জাব সরকার নির্যাতিতার পরিবারকে ২০ লক্ষ টাকা দেবে, নির্যাতিতার মা পাবেন সরকারি চাকরি এবং হাসপাতালে ভর্তি নির্যাতিতার মায়ের চিকিৎসার সব খরচ বহন করবে সরকার। প্রথমে রাজি না হলেও পরে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদলের হস্তক্ষেপ ও অভিযুক্ত ৪ জনের গ্রেফতারিতে পাঞ্জাব পুলিসের তৎপরতা নির্যাতিতার পরিবারকে আশ্বস্ত করতে সক্ষম হয়।      

চলন্ত ট্রেন থেকে পরে মৃত্যু কিশোরীর চলন্ত ট্রেন থেকে পরে মৃত্যু কিশোরীর

চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু হল এক কিশোরীর। দুর্ঘটনাটি বর্ধমান এবং তালিত স্টেশনের মাঝে  ঘটেছে। একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতার খিদিরপুর অঞ্চল থেকে স্বপরিবারে বিহার শরিফ যাচ্ছিলেন পারভেজ ইকবাল নামে এক স্কুল শিক্ষক। দানাপুর এক্সপ্রেসের সংরক্ষিত কামরায় তাঁরা ছিলেন। পারভেজ ইকবালের দাবি, তালিত ছাড়ার পরই তাঁর শালার মেয়ে হাত ধুতে গিয়েছিল। হঠাত্‍ই সে পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা চেন টেনে ট্রেন থামান এবং গার্ডকে অনুরোধ করেন একটু খুঁজে দেখার। যদিও গার্ড তাঁদের কোনও সাহায্য করেননি বলে অভিযোগ পারভেজ ইকবালের। প্রায় ৩ ঘণ্টা পরে রেল পুলিস গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কিন্তু রাতে সংরক্ষিত কামরার দুটি দরজা কেন খোলা ছিল, তার কোনও জবাব মেলেনি রেল কর্মীদের কাছে। ফলে ফের প্রশ্নের মুখে যাত্রীদের নিরাপত্তা।