টুকলি রুখতে এবার জ্যামার টুকলি রুখতে এবার জ্যামার

টুকলির বাড়বাড়ন্ত রুখতে এবার জ্যামার লাগানোর নিদান। যে কোনও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় এমনকি বিদ্যালয়েতেও চাইলেই টুকলি রুখতে ব্যবহার করতে পারবে এই জ্যামার। এমনই অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। যেসব পরীক্ষা কেন্দ্রে টুকলির প্রবণতা প্রবল সেখানেই ব্যবহার করা যাবে জ্যামার। যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ অথবা বিদ্যালয়ের প্রধাণরা চাইলেই ব্যবহার করতে পারবেন এই জ্যামার। পরীক্ষার হলে শুধুমাত্র গার্ড দিয়ে টুকলির সমস্যা মেটানো যাচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই জ্যামার ব্যবহারের নিদান দিল কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। এবার দেখা যাক টুকলি রুখতে জ্যামার কতটা কার্যকর হয়।

পুলিস ফাঁড়িতেই চলছে কচিকাচাদের নিয়ে প্রাথমিক স্কুল! পুলিস ফাঁড়িতেই চলছে কচিকাচাদের নিয়ে প্রাথমিক স্কুল!

পুলিস ফাঁড়িতেই চলছে কচিকাচাদের নিয়ে প্রাথমিক স্কুল। ক্লাস নিচ্ছেন পুলিসকর্মীরাই। এই বিরল দৃশ্য দেখা গেছে শিলিগুড়ির প্রত্যন্ত গ্রাম মিলনপল্লীর পুলিস ফাঁড়িতে। এলাকায় কোনও স্কুল না থাকায় শিশুদের পড়াশোনার প্রাথমিক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন  উর্দিধারীরাই। শিলিগুড়ি শহর থেকে ছত্রিশ কিলোমিটার দূরে তিস্তা নদীর ধারে প্রত্যন্ত গ্রাম মিলনপল্লী। পাশেই রয়েছে আরও তিনটি গ্রাম গাজলডোবা, দুধিয়া এবং চাকীমারী। তিনটি গ্রামে প্রায় দশ হাজার মানুষের বসবাস । গ্রামের দিন আনা দিন খাওয়া বেশিরভাগ মানুষের জীবিকা কৃষিকাজ।  গ্রামে ছিলনা কোনও স্কুল। শিশুদের ভবিষ্যত নিয়ে তেমন কেউ মাথাও ঘামাননি।  দুহাজার তেরো সালে মিলনপল্লী পুলিস ফাঁড়িতেই শুরু হয় নবদিশা পাঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের স্কুলে পাঠানোর আর্জি জানান পুলিসকর্মীরাই।

শ্রীরামপুরে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে না পেরে  স্কুলেই ভাঙচুর চালাল পরীক্ষার্থীরা শ্রীরামপুরে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে না পেরে স্কুলেই ভাঙচুর চালাল পরীক্ষার্থীরা

হুগলির শ্রীরামপুরে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে না পেরে  স্কুলেই ভাঙচুর চালাল পরীক্ষার্থীরা। হাত মেলালেন অভিভাবকরাও। তবে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে প্রাণে বেঁচেছেন স্কুলের মালিক তথা প্রধানশিক্ষক। সব কিছু মিটে যাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পৌছয় পুলিস। অ্যাডমিট কার্ড দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।  মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতেই পারলনা বেসরকারি হিন্দি স্কুল শ্রীরামপুর বিদ্যাপীঠের তেইশ জন পরীক্ষার্থী। অ্যাডমিট কার্ড পেতে পরীক্ষার্থীরা স্থানীয় কাউন্সিলর থেকে মুখ্যমন্ত্রী, এমনকি বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব, সবার কাছেই দরবার করেছে। রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে চেষ্টা। কিন্তু সোমবারও মেলেনি অ্যডমিট কার্ড। তাই যখন অন্যরা  মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে রওনা হয়েছে তখন শ্রীরামপুর বিদ্যাপিঠের তেইশ জন পরীক্ষার্থী  ভাঙচুর চালিয়েছে স্কুলে গিয়ে।

কোচবিহারের জেনকিন্স স্কুলের এক ছাত্রের মুখ্যমন্ত্রীর থেকে সাইকেল নিতে অস্বীকার! কোচবিহারের জেনকিন্স স্কুলের এক ছাত্রের মুখ্যমন্ত্রীর থেকে সাইকেল নিতে অস্বীকার!

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী গীতশ্রী সরকার, হোক কলরবের সময় প্রতিবাদ জানিয়ে  সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মানপত্র নিতে অস্বীকার করেছিলেন । এবার কোচবিহারের জেনকিন্স স্কুলের এক ছাত্র। মুখ্যমন্ত্রীর সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেল নিতে অস্বীকার করেছেন।জেনকিন্স স্কুলের ক্লাস টুয়েলভের  ছাত্র নিরুপম দাস, সাইকেল না নিয়ে জানিয়েছেন, চা-বাগানে মৃত্যু মিছিল ও সিতাই-এ ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই তাঁর এই পদক্ষেপ। কোচবিহারে জেনকিন্স স্কুলে বৃহস্পতিবারেই শুরু হয় সবুজ সাথীর প্রকল্পের সাইকেল দেওয়া। এরমধ্যে নিরুপম দাসের এই প্রতিবাদ এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।বিষয়টাকে কেউ নিয়েছেন ভালোভাবে। কেউ আবার বেজায় চটেছেন এমন করতে দেখে।

নিজেদের উত্‍পাদিত সৌর বিদ্যুত্‍ বিক্রি করে, বকেয়া ইলেকট্রিক বিল মেটাচ্ছে স্কুল! নিজেদের উত্‍পাদিত সৌর বিদ্যুত্‍ বিক্রি করে, বকেয়া ইলেকট্রিক বিল মেটাচ্ছে স্কুল!

অন্যের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকা নয়। সাহায্যের জন্য অপেক্ষাও নয়। নিজেদের উত্‍পাদিত সৌর বিদ্যুত্‍ বিক্রি করে, বকেয়া ইলেকট্রিক বিল মেটাতে চলেছে স্কুল। অনন্য নজির বাঁকুড়ার শুশনিয়া গ্রামের একটি স্কুলের। শিক্ষা, স্বনির্ভরতার। প্রতিটি ক্লাস রুমে লাইট, ফ্যান তো আছেই। হস্টেলও মর্ডান। সব রুমে ব্যবস্থা, স্পেশাল লাইটের। কে বলবে এ স্কুল,  কোনও গ্রামের! শুশনিয়া পাহাড়ের কোলে পণ্ডিত রঘুনাথ মুরমু আবাসিক স্কুল। পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ছশো। যাদের মধ্যে সাড়ে চারশো জনই আবাসিক। সব ব্যবস্থা টপ ক্লাস করতে গিয়ে, কারেন্টের খরচ বরাবরই বেশি। প্রতিমাসে স্কুল ও হস্টেল মিলিয়ে বিল দাঁড়ায় পয়ত্রিশ থেকে চল্লিশ হাজার। জমতে জমতে বকেয়া পৌছেছে সাত লক্ষ টাকায়।