মায়ানমারে সুকির মুখোমুখি ওবামা

Update: November 19, 2012 15:05 IST

একদিনের তাইল্যান্ড সফর শেষে ব্যাঙ্কক থেকে সোমবার মায়ানমার পৌঁছলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে তাঁর বিমান মায়ানমারের মাটি ছুঁল। ইয়ঙ্গনের রাস্তায় কমবেশী ১০ হাজার বার্মিজ মানুষ আমেরিকার জাতীয় পতাকা নেড়ে তাঁকে অভর্থনা জানাল। ইয়ঙ্গনেই নোবেল জয়ী সমাজকর্মী আনং সান সুকির সঙ্গে ব্যক্তিগত বৈঠক সাড়েন তিনি। বৈঠক শেষে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জানান গত কয়েক বছর ধরেই মায়ানমার প্রগতির পথে বেশ কিছুটা অগ্রসর হয়েছে। গৃহবন্দি অবস্থা থেকে সুকির মুক্তি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাচনে এই নেত্রীর অংগশগ্রহণকে ওবামা সেই প্রগতির উদাহরণ বলে দাবি করেছেন। মায়ানমারের প্রধানমন্ত্রী থেন পেনের সঙ্গেও দেখা করেছেন ওবামা। তাঁর মায়ানমার সফরকে ঐতিহাসিক তকমা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই। জানিয়েছেন তাঁর এই সফর দু`দেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।

এশিয়ার সঙ্গে বিশেষত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক আদান-প্রদান আরও বাড়ানোই হল ওবামার এই সফরের লক্ষ্য। তারজন্য রবিবার থেকে তিনদিনের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল সফরে বেরিয়েছেন বারাক ওবামা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।