নেই পর্যাপ্ত সশস্ত্র পুলিস, কোর্টের রায় এখন মাথাব্যথা স্বরাষ্ট্র দফতরের

হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৯৭ হাজারের বেশি সশস্ত্র পুলিস প্রয়োজন। যদিও, রাজ্যের পক্ষে মাত্র ৩৫ হাজার সশস্ত্র পুলিস ভোটের ডিউটিতে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। তিন দফার ভোটে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করেও, এই পরিমাণ পুলিস দিয়ে ভোট করানো অসম্ভব বলে মনে করছে স্বরাষ্ট্র দফতর।

Updated: May 15, 2013, 12:01 PM IST

হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৯৭ হাজারের বেশি সশস্ত্র পুলিস প্রয়োজন। যদিও, রাজ্যের পক্ষে মাত্র ৩৫ হাজার সশস্ত্র পুলিস ভোটের ডিউটিতে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। তিন দফার ভোটে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করেও, এই পরিমাণ পুলিস দিয়ে ভোট করানো অসম্ভব বলে মনে করছে স্বরাষ্ট্র দফতর। ভিন রাজ্যের পুলিস এনেও এই ফারাক মেটানো যাবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
 
ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ মেনে ভোট করলে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৯৭ হাজারের বেশি সশস্ত্র পুলিস প্রয়োজন। রাজ্যে পঞ্চায়েতে বুথের সংখ্যা ৫৭ হাজার ১৫টি। এই মুহূর্তে পঞ্চাশ শতাংশই অতি স্পর্শকাতর বুথ, যার সংখ্যা ২৮ হাজার ৫০০ ।
মোট বুথের ২০ শতাংশ স্পর্শকাতর। তার সংখ্যা ১১ হাজার ৪০০। স্বাভাবিক বুথ রয়েছে ৩০ শতাংশ। তার সংখ্যা প্রায় ১৭ হাজার।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, তিন ধরনের বুথে সশস্ত্র পুলিস প্রয়োজন হবে যথাক্রমে ,
 
১) অতি স্পর্শকাতর
২) স্পর্শকাতর
৩) স্বাভাবিক
সমস্যা হল রাজ্যে এই মুহূর্তে সশস্ত্র পুলিসের সংখ্যা ৫৫ হাজার ৩০ জন। স্বরাষ্ট্র দফতরের নিয়ম অনুযায়ী, এর মধ্যে ৩০ শতাংশ পুলিসকর্মীকে রোজকার ডিউটিতে কাজে লাগাতে হয়। অর্থাত্‍ বিভিন্ন  সরকারি অফিস, ব্যাঙ্ক, থানার ডিউটি, ভিআইপিদের নিরাপত্তা এবং এলাকার আইন-শৃঙ্খলার কাজে বহাল রাখতে হয়। অর্থাত্‍ এই পরিমাণ রোজকার ডিউটিতে থাকবে।
বাকি যা থাকবে তার চার শতাংশ অসুস্থতা, ব্যক্তিগত বা পারিবারিক প্রয়োজনে অনুপস্থিত থাকবেন, এটা ধরে নেওয়া হয়।
রাজ্যে সশস্ত্র মহিলা পুলিস কর্মীর সংখ্যা ১৮২৬। সাধারণত এদের নির্বাচনী ডিউটিতে রাখা হয় না।