দার্জিলিংয়ের বাজারে ভয়াবহ আগুন

Update: April 20, 2012 10:46 IST

গভীর রাতে ভয়াবহ আগুন লাগল দার্জিলিং শহরের চকবাজারের বেশ কয়েকটি দোকানে। বৃহস্পতিবার রাত দু`টোর পর চকবাজারের কাছে মহাত্মা গান্ধী রোডের এক পাশে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের দু`টি ইঞ্জিন। প্রাথমিকভাবে দু`টোর বেশি ইঞ্জিন না থাকায় আগুন নেভাতে সমস্যা পড়েছেন দমকল কর্মীরা। আগুন ক্রমশ আশেপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ায় তা  আরও বিধ্বংসী চেহারা নেয়। পরে সেনাবাহিনীর একটি ইঞ্জিন সহ আরও তিনটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। শুক্রবার ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে ৪০টিরও বেশি দোকান ও বাড়ি ভস্মীভূত। আগুন লাগার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।