উত্তপ্ত পাহাড়ে বনধের ডাক মোর্চার

Update: February 6, 2013 21:01 IST

ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে পাহাড়ের পরিস্থিতি। রাজ্য সরকার পৃথক লেপচা উন্নয়ন পর্ষদ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শনিবার পাহাড়ে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। 

পৃথক লেপচা উন্নয়ন পর্ষদ গঠনে মঙ্গলবার সবুজ সবুজ সংকেত দিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। প্রতিবাদে আগামী শনিবার পাহাড়ে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিল মোর্চা। 

অবিলম্বে লেপচা উন্নয়ন পর্ষদ বাতিলের দাবি জানিয়ে মোর্চা সভাপতি বিমল গুরুং কেন্দ্র ও রাজ্যকে চিঠিও দেবেন। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথাও জানিয়ে দিয়েছেন মোর্চা সভাপতি। 

মোর্চা পাহাড় বনধের কথা ঘোষণার পরই মহাকরণে স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিসের ডিজির সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেবও। বৈঠকে ছিলেন আদিবাসী বিকাশ পরিষদের নেতা জন বারলাও।

২৯ জানুয়ারি দার্জিলিঙে মুখ্যমন্ত্রীর সামনেই পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে সরব হন মোর্চা সমর্থকরা। তারপরেই লেপচা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। এবং শেষ পর্যন্ত জিটিএ-র সঙ্গে কথা না বলেই লেপচা উন্নয়ন পর্যদ গঠনের সিদ্ধান্ত। সরকারের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান। 

এমনিতেই পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে সুর ক্রমশ চড়াচ্ছিল মোর্চা। তার উপর পৃথক লেপচা পরিষদ গঠনের কথা  ঘোষণা করে রাজ্য সরকার জিটিএ চুক্তি ভঙ্গ করেছে বলে মোর্চার অভিযোগ। অর্থাত্ রাজ্য সরকারের সঙ্গে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সংঘাত ক্রমশ বাড়ছে। 

এর পরেও মুখ্যমন্ত্রী বলবেন, পাহাড় হাসছে?

Post Your Comment

Total Comments:2

Pahar abosoi has6e,bt ki6u sosta bazari news bisoy ta gol paka6e,c.m birodhi kthai ei chanel er patheyo,so r ki6u blar nei,problm solvd na kre erokm akjn k dayi kra uchi noy r jodi tai blte hoy tahole bigoto pray 1 yr pahar toh santo 6ilo,seta k kivabe byakkha deben ?

OUR CHIEF MINISTER IS BEYOND NORMAL RULES AND REGULATIONS. SO IT IS EASY FOR HER TO SAY THAT HILL REGION IS SMILING. THEN I WANT TO KNOW WHAT IS CRYING OR GRIEVING?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।